• শনিবার   ২৮ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪২৯

  • || ২৫ শাওয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
তরমুজ ফ্রিজে রাখবেন না যে কারণে হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও মাধবপুরের মঈনুল পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে বড়লেখায় হত্যা চেষ্টা মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে বালি উত্তোলন না করার দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন বিশ্বনাথে জেলা আ’লীগের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করলেন শফিক চৌধুরী
৭৫

বেশি শসা খাওয়া বিপজ্জনক

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২২  

খাবারের সঙ্গে শসা না থাকলে অনেকের চলেই না। আবার অনেকেই ওজন কমানোর জন্য অতিরিক্ত শসা খান। এ ফলটি কতটা উপকারী তা সবারই কমবেশি জানা আছে। তবে জানেন কি, শসা বেশি খাওয়াও বিপজ্জনক হতে পারে, এমনটিই মত বিশেষজ্ঞদের।

শসায় উপস্থিত কিউকারবিটাসিনের কারণে পেট ফুলে থাকা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। কিউকারবিটাসিনের কারণে শসায় তিক্ততা থাকে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, শসা যদিও একটি স্বাস্থ্যকর ফল, তবে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাওয়া ভালো নয়। ওজন কমাতে যদি সব সময় শসা খান, তাহলে অন্যান্য ভিটামিন থেকে আপনার শরীর বঞ্চিত হবে এবং আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। শসা খেতে হবে, তবে পরিমাণ অনুযায়ী।

১. শসার খোসায় অধিক পরিমাণে কিউকারবিটাসিন পাওয়া যায়। তাই এটি ভালো করে ধুয়ে, খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত।

২. অনেকেরই শসায় অ্যালার্জি থাকে। ফলে এটি খেয়েই চুলকানি, মুখ ফুলে যাওয়া, গলায় সংক্রমণ ইত্যাদির মতো সমস্যা দেখা যায়।

৩. শসায় ৯০ শতাংশ পানি থাকে। এটি আপনার কিডনির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

৪. শসায় থাকা অত্যাধিক পানি রক্তনালী ও হার্টের উপর চাপ তৈরি করে, যা কিডনির ক্ষতি করতে পারে।

৫. যেহেতু শসায় বেশি পানি থাকে, তাই এটি অতিরিক্ত খেলে বার বার প্রস্রাবের সমস্যাও হতে পারে। ফলে শরীর আরও পানিশূন্য হয়ে পড়তে পারে।

৬. শসায় থাকা ভিটামিন সি-র পরিমাণ অতিরিক্ত হয়ে গেলে ব্রন, ক্যানসার, অকালবার্ধক্য ইত্যাদির মতো সমস্যার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

৭. এছাড়া লেবুর সঙ্গে কখনো শসা খাবেন না। কারণ এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই সালাদে লেবুর সঙ্গে শসা খাওয়াও বিপজ্জনক।

৮. রাতে শসা খাওয়ার অন্যতম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো গ্যাসের সমস্যা। শসার কিউকারবিটাসিনের ফলে পেট ফাঁপা ও ফোলাভাব হয়।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার