• শনিবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৩ ১৪২৮

  • || ০৯ সফর ১৪৪৩

সর্বশেষ:
দোয়ারাবাজারে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিদর্শনে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার অবশেষে শুরু হচ্ছে সিলেটের সেই দুই সড়কের সংস্কারকাজ করোনা: ফের মৃত্যুর মিছিলে সিলেটে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের প্রথম সভাপতি ফয়জুল আর নেই

নখ কামড়ানো উত্তেজনা ছড়িয়ে জিতলো বাংলাদেশ

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২১  

শেষ দুই বলে ম্যাচ জিততে ১৩ রান প্রয়োজন ছিল নিউজিল্যান্ডের। এমন সময় নো বল দিয়ে বসেন মুস্তাফিজুর রহমান। সেই বল থেকে লেগ সাইড দিয়ে চার মারেন টম লাথাম। যদিও ফ্রি বল কাজে লাগাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। পঞ্চম বলে মাত্র ২ রান নিলে ম্যাচ জিততে শেষ বলে প্রয়োজন হয় ৬ রানের।
 
পুরো ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করলেও সেই সমীকরণ মেলাতে পারেননি লাথাম। ২০তম ওভারে মুস্তাফিজ ১৫ রান দিলেও নিউজিল্যান্ড থামে ১৩৭ রানে। তাতে ৪ রানের জয়ে সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

এদিন টস ভাগ্যে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দুই ওপেনার লিটন দাস এবং নাইম শেখ ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের ব্যাটে ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ দল। প্রথম দুই ওভারে স্কোরবোর্ডে মাত্র ৬ রান নিলেও কলিন ডি গ্রান্ডহোমের হাতে জীবন পান লিটন।

এরপর পাওয়ার প্লে'তে আর পেছনে ফিরে তাকাননি এই ওপেনার। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের দেখে শুনে খেলে ৬ ওভারে এই জুটি স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৩৬ রান। টম ল্যাথাম বোলিংয়ে নিয়মিত পরিবর্তন এনেও বিপদে ফেলতে পারেননি।

রান রেট ৬ এর কাছাকাছি রেখে ৯ ওভারে দলীয় ৫০ রানে পৌছায় বাংলাদেশ। এ নিয়ে ৯ ইনিংস পর ওপেনিং জুটিতে ৫০ রান যোগ করে বাংলাদেশ। সবশেষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ওপেনাররা ১০২ রানের জুটি গড়েছিলেন।

প্রথম ৯ ওভারে প্রতিপক্ষের বোলারদের বড় কোন সুযোগ না দিলেও ১০ম ওভারের প্রথম বলে রচিন রবীন্দ্রকে ছক্কা হাঁকালেও তৃতীয় বলে ইনসাইড এজে বোল্ড হন লিটন। ২৯ বলে ৩৩ রান করেন এই ওপেনার। এরপরের বলেই তিনে নামা মুশফিকুর রহিম প্রথম বলেই ফেরেন স্টাম্পিং হয়ে।

টানা দুই উইকেট হারিয়ে বসা বাংলাদেশকে বিপদমুক্ত করতে ক্রিজে এসে দ্রুত ৭ বলে ১২ রান করলেও কোল ম্যাককনকিকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অফে ধরা পড়েন সাকিব। এরপর ক্রিজে নেমে নাঈমকে ভালো সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহ।

পরের ৪ ওভারে দুজন মিলে যোগ করেন ৩১ রান, সঙ্গে দলকে এনে দেন ১০০ রানের পুঁজি। ১৫ ওভারে স্বাগতিকদের রান তখন ৩ উইকেটে ১০৩। তবে ১৬তম ওভারের ৫ম বলে রবিন্দ্রকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ৩৯ বলে ৩৯ রান করে ফেরেন নাইম।

পরের ওভারে এক রানে ফেরেন আফিফ। ১৭ ওভারের সময় ক্রিজে আসেন নুরুল হাসান। ওভার শেষে ৫ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ১১০। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ এবং নুরুল। ১৯তম ওভারে এই জুটি যোগ করে ১৩ রান।

২০তম ওভারে এই জুটি আরও যোগ করে ১১ রান। তাতেই ১৪০ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। শেষ বলে ক্যাচ আউট হন নুরুল হাসান। ৮ বলে ১৩ রান করেন এই উইকেটরক্ষক, মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত ৩২ বলে ৩৭ রানে। রাচীন নেন ৩ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ- ১৪১/৬ (ওভার ২০) (মাহমুদউল্লাহ ৩৭*, নাইম ৩৯) (রাচীন ৩/২২)

নিউজিল্যান্ড- ১৮/২ (৩.১ ওভার)

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার