• সোমবার   ১৮ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৩ ১৪২৮

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
টাঙ্গুয়ার হাওরের ময়লা পরিষ্কার করলেন ডিসি মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ১৪ ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ সিলেটসহ ৩৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু লিডিং ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসেই মিলছে টিকা সিলেটে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন মৌলভীবাজারে পাশাপাশি মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন

নবীজি যেভাবে পানি পান করতেন

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১  

পানি আল্লাহর অপার এক নিয়ামত। আল্লাহতায়ালা পানির অফুরন্ত ভান্ডার রেখেছেন সমুদ্রে। আর সমুদ্রের পানিকে তিনি লবণাক্ত করে সৃষ্টি করেছেন। কারণ এ পানি যদি মিঠা হতো তাহলে কিছু দিনপর নষ্ট হয়ে যেত। কারণ সমুদ্রের পানি লবণাক্ত বিধায় এতে অজস্র প্রাণী পচে ও গলে গেলেও সমুদ্রের পানি নষ্ট হয় না। স্বাদ ও গন্ধে কোনো পরিবর্তন দেখা দেয় না।

আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর আমি পানিকে জমিনের বুকে সংরক্ষিত করি’ (সূরা মুমিনুন ১৮)। পানির যে ‘ঢোক’ আমরা এক মুহূর্তে কণ্ঠনালি দিয়ে গড়িয়ে দেই এর প্রতিটি ফোঁটা আল্লাহর এক বিশাল কুদরতি ব্যবস্থাপনা অতিক্রম করে আমাদের অবধি পৌঁছে।

পানি কীভাবে পান করতে হবে এ ব্যাপারেও রাসূল (সা.) সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন; যা পালন করলে পানিপান করার পাশাপাশি বিরাট সওয়াবের মালিকও হওয়া যাবে। মুসলিম শরিফে পানি পানের পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে এভাবে-এক. পানি পানের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া এবং শেষে আলহামদুলিল্লাহ পড়া। দুই. বসে বসে পান করা, দাঁড়িয়ে পান না করা। তিন. ডান হাত দ্বারা পান করা, বাম হাত দ্বারা পান না করা।

কেননা শয়তান বাম হাত দিয়ে পানি পান করে। চার. তিন নিশ্বাসে পানি পান করা, নিশ্বাস ফেলার সময় পাত্র থেকে মুখ আলাদা করা। পাত্র যদি ভাঙা থাকে পাত্রের ভাঙা অংশের দিক দিয়ে পান না করা। পাঁচ. বড় পাত্রে মুখ লাগিয়ে পান না করা। কেননা এতে বেশি পানি চলে আসার বা সাপ-বিচ্ছু থাকার সম্ভাবনা থাকে। ছয়. স্বর্ণজাতীয় পাত্রে পান না করা।

পানি পান করার পর অন্যজনকে দিতে হলে প্রথমে ডান পাশের জনকে দেবেন। সেও তার ডান পাশের জনকে দেবে, এভাবেই চলবে। চা ও অন্যান্য পানীয় এ নিয়মেই পান করতে হবে। মহানবী (সা.)-এর নির্দেশিত পদ্ধতিকে বাস্তব ও স্বাস্থ্যসম্মত বলে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার