• শনিবার   ২৮ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪২৯

  • || ২৫ শাওয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
তরমুজ ফ্রিজে রাখবেন না যে কারণে হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও মাধবপুরের মঈনুল পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে বড়লেখায় হত্যা চেষ্টা মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে বালি উত্তোলন না করার দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন বিশ্বনাথে জেলা আ’লীগের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করলেন শফিক চৌধুরী
১০৫

রাসুল (সা.) যেভাবে ইতিকাফ করতেন

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০২২  

পবিত্র রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত হলো ইতিকাফ। মানুষের জীবনের পরিশুদ্ধতার ক্ষেত্রে ইতিকাফের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। হজরত মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশদিন ইতিকাফ পালন করতেন। একান্ত কিছু সময় আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্যে যাপন করতেন।

ইতিকাফকালীন রাসুল (সা.) কোনো অসুস্থ ব্যক্তির দর্শনে যেতেন না, কোনো জানাজায় অংশ নিতেন না, বর্জন করতেন স্ত্রী সংস্পর্শ বা সহবাস। আয়েশা (রা.) বলেন, ইতিকাফকারীর সুন্নত হচ্ছে অসুস্থের দর্শনে গমন না করা, জানাজায় অংশ না নেয়া, নারী সংসর্গ ও সহবাস বর্জন করা এবং অত্যবশ্যকীয় কোনো প্রয়োজন ব্যতীত ইতিকাফ হতে বের না হওয়া। (আবু দাউদ : ২৪৭৩)। 
 
রাসুল (সা.) অত্যাবশ্যকীয় কোনো কারণ ব্যতীত ইতিকাফগাহ হতে বের হতেন না। আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা.) ইতিকাফরত অবস্থায় কোনো কারণ ব্যতীত গৃহে প্রবেশ করতেন না। (বুখারি: ২০২৯)। 

ইতিকাফরত অবস্থায় রাসূল (সা.) এর স্ত্রী’রা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং কথোপকথন করতেন। সাফিয়া (রা.) বলেন রাসুল (সা.) ইতিকাফরত অবস্থায় আমি তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এলাম, তার সঙ্গে আলাপ করে অতঃপর চলে এলাম...। (বুখারি: ৩০৩৯)। 

রাসুল (সা.) বলেন, আমি কদরের রাতের তালাশে প্রথম দশ দিন ইতিকাফ করলাম, এরপর ইতিকাফ করলাম মধ্যবর্তী ১০ দিন, অতঃপর ওহি প্রেরণ করে আমাকে জানানো হলো যে, তা শেষ ১০ দিনে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ইতিকাফ পছন্দ করে, সে যেন ইতিকাফে বসে। (মুসলিম, হাদিস নম্বর : ১৯৯৪)।

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) প্রতি রমজানে ১০ দিন ইতিকাফ করতেন, তবে যে বছর তিনি ইন্তেকাল করেন, সে বছর তিনি ২০ দিন ইতিকাফে কাটান। ( বুখারি, হাদিস নম্বর : ১৯০৩)।

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, ‘ইন্তেকাল পর্যন্ত রাসুল (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছেন, এর পর তার স্ত্রীরা ইতিকাফ করেছেন।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ১৮৬৮; মুসলিম, হাদিস নম্বর : ২০০৬)।

ইতিকাফ করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্য লাভের সুযোগ পাওয়া যায়। তাই সবার উচিত যথা নিয়মে ইতিকাফ করা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তার সান্নিধ্য লাভের এই বিশেষ আমলটি করার সুযোগ দান করুন। আমিন।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার