• মঙ্গলবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১২ ১৪২৮

  • || ২০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
শাবির প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত জৈন্তাপুরে ছেলের হাতে মা খুন! বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে পুলিশ : প্রধানমন্ত্রী শাবিতে ভিসি’র বাসবভনের সামনে খাটে শুয়ে অনশনের প্রস্তুতি শাবিতে আন্দোলন : ১৬ জন হাসপাতালে জেলা ভোগ্যপণ্য পরিবেশক গ্রুপের সাধারণ সভা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সিলেটে হচ্ছে ‘ওয়াসা’
২৮

কুরআন পাঠের ফজিলত

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৪ ডিসেম্বর ২০২১  

আল কুরআন এক মহাবিস্ময়কর গ্রন্থ। মানবজাতির জন্য এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান। মানবজাতির সর্বাঙ্গীন কল্যাণ ও মুক্তির দিশারি বা পথপ্রদর্শক এ কুরআন।

কুরআনকে সর্বকালের, সর্বদেশের, সর্বলোকের জীবনবিধান ও মুক্তির সনদ হিসাবে মহান রাব্বুল আলামিন অবতীর্ণ করেছেন। নানাবিধ কল্যাণ নিহত আছে এ গ্রন্থে।

মহান আল্লাহ্তায়ালা বলেছেন, ‘অবশ্যই তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও সুস্পষ্ট কিতাব এসেছে। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, এ (জ্যোতির্ময় কুরআন) দ্বারা তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ অনুমতিক্রমে তাদের (কুফরিকে) অন্ধকার থেকে বের করে (ইমানের) আলোর দিকে নিয়ে যান এবং তাদের সরল পথে পরিচালিত করেন’ (মায়িদা-১৬)।

‘মুমিন তো তারা, আল্লাহকে স্মরণ করার সময় যখন তাদের অন্তরগুলো কেঁপে ওঠে। আর যখন তাদের ওপর তাঁর আয়াতগুলো পাঠ করা হয়, তখন তা তাদের ইমান বৃদ্ধি করে এবং যারা তাদের রবের ওপরই ভরসা করে’ (আনফাল : ২)।

আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মীম একটি হরফ’ (সুনান আত-তিরমিযি : ২৯১০)।

‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই, যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে ও অপরকে শিক্ষা দেয় (বুখারি : ৫০২৭)।

‘তোমরা কুরআন তিলাওয়াত কর, কারণ, কুরআন কেয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে’ (মুসলিম : ১৯১০)।

একমাত্র দুই ব্যক্তির ওপর ঈর্ষা করা যায়। এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহতায়ালা কুরআনের ইলম দান করেছেন, সে দিবা-রাত্রি ওই কুরআন তিলাওয়াতে ব্যস্ত থাকে। দ্বিতীয় সে ব্যক্তি, যাকে আল্লাহতায়ালা ধন-সম্পদ দান করেছেন। সে তা দিনরাত (বৈধ কাজে) খরচ করে (সহিহ বুখারি : ৭৫২৯)।

অথচ মানুষ পবিত্র কুরআনুল কারিমের বিধান পালন, নসিহত গ্রহণ ও তিলাওয়াত করা থেকে দূরে সরে গিয়ে নিজেদের ক্ষতি ডেকে আনছে। বঞ্চিত হচ্ছে কুরআন-সুন্নায় ঘোষিত ফজিলত উপকারিতা থেকে।

কুরআন থেকে দূরে সরে যাওয়া কোনো মুমিন মুসলমানেরই উচিত নয়। কেননা এ কুরআনের তিলাওয়াতই মানুষকে উত্তম জীবনযাপনের দিকে ধাবিত করে। পরকালের সীমাহীন নেয়ামত লাভে উদ্বুদ্ধ করে। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের ইমান বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আর যখনই মানুষের ইমান বেড়ে যায়, তখনই মানুষ দুনিয়া ও পরকালের জন্য নিজেকে সাজাতে সহজ হয়।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার