• বৃহস্পতিবার   ২০ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৬ ১৪২৮

  • || ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
কুলাউড়া হাসপাতালের ৯ স্টাফ করোনায় আক্রান্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার করোনা আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে যা বলছেন শাবির শিক্ষক-শিক্ষিকা জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা ব্লিনকেনের শাবিঃ ‘টাকার ব্যাগ’ আর ‘পিস্তল’ রেখে উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা
১৯

তামাবিল বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি বন্ধ

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি ২০২২  

সিলেটের তামাবিল স্থল বন্দর দিয়ে গত তিনদিন ধরে পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে। অটো এসএমএস পদ্ধতিতে পাথর আমদানির সরকারি সিদ্ধান্তের পর ব্যবসায়ীরা আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন। এতে প্রতিদিন অর্ধকোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

রোববার (৯ জানুয়ারি) তামাবিল স্থলবন্দরের উপপরিচালক মো. মাহফুজুল ইসলাম ভূঁইয়া এ তথ্য জানান।

মাহফুজুল ইসলাম জানান, তামাবিল স্থল বন্দরে গত ৭ জানুয়ারি থেকে অটো এসএমএস সফটওয়্যার পদ্ধতি চালু হয়েছে। এতে ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে ওজন মাপা সম্ভব হবে। এতদিন শুধু ওজন মাপার ম্যানুয়াল স্কেল চালু ছিল। ডিজিটালাইজড ওজন মাপার যন্ত্র চালু হওয়ার পর থেকেই এ বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে আমদানিকারকরা।

পাথর আমদানিকারকদের অভিযোগ, ভারতের ব্যবসায়ীরা পাথর রপ্তানি করে থাকেন ফিতা দিয়ে মেপে। ফিতা দিয়ে মাপা বোল্ডার পাথরের সঙ্গে থাকা পানি ও মাটি ওজনে হেরফের হয়। ফলে ভারত থেকে ম্যানুয়াল পদ্ধতির কাগজ নিয়ে এসে বাংলাদেশ বন্দরে বেকায়দায় পড়তে হবে আমদানিকারকদের। সব তথ্য নতুন করে দেওয়ার সঙ্গে ওজনের তারতম্যের জন্য গুণতে হবে জরিমানা। ওজনে কম হলেও দিতে হবে নির্ধারিত ওজনের টাকা।

সিলেট চেম্বারের পরিচালক হাজী সরোয়ার হোসেন ছেদু বলেন, একপাশ থেকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এনে অন্য পাশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মাপ কখনও সমান হবে না। এছাড়া, প্রতিদিন ১ থেকে ২০০ গাড়ি বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে। এভাবে লোকসান করে ব্যবসা করা সম্ভব নয়। তাই কোনো সমাধান না দেখে আমরা পাথর আমদানি বন্ধ করে দিয়েছি।

তামাবিল কয়লা-পাথর আমদানীকারক গ্রুপের সভাপতি মো. লিয়াকত আলী বলেন, স্থল বন্দর ডিজিটালাইজেশনে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে, পাথর আমদানি পদ্ধতি ভিন্ন বিষয়। এখানে দুই দেশের ব্যবসা চলছে। তাই এক দেশে ডিজিটাল পদ্ধতি এবং অন্য দেশে ম্যানুয়াল পদ্ধতি হলে পাথর আমদানিতে সমস্যা হবে। আমরা বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হবো। তাই স্থল বন্দরের দুই দিকে একই পদ্ধতিতে অটোমেশিন চালু হলে সমস্যা নেই। ব্যবসায় আমাদের লস হবেনা। এর জন্য ভারত অংশের স্থল বন্দর নির্মাণ এবং অটোমেশিন পদ্ধতি চালুর আগ পর্যন্ত আমাদের দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষর উচিত হবে এই দিকটা বিবেচনা করা।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার