• বৃহস্পতিবার   ২০ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৬ ১৪২৮

  • || ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
কুলাউড়া হাসপাতালের ৯ স্টাফ করোনায় আক্রান্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার করোনা আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে যা বলছেন শাবির শিক্ষক-শিক্ষিকা জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা ব্লিনকেনের শাবিঃ ‘টাকার ব্যাগ’ আর ‘পিস্তল’ রেখে উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা
৩৬২

সিলেটে মুক্তিযোদ্ধাদের অনন্য সম্মান জানালেন তিন শীর্ষ কর্মকর্তা 

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর ২০২১  

সিলেটে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‌‌‘আঞ্চলিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার বিকেলে। সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও অভিনেতা এসএফ নাঈমের পরিচালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আর ওই আলোচনা সভায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রশাসনের তিন শীর্ষ কর্মকর্তা। প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা হলেন-সিলেটের জেলা প্রশাসক ও অনুষ্ঠানের সভাপতি এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ও সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার নিশারুল আরিফ এবং সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্দ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ। তিনি তাঁর বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা ও বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। প্রকাশ করেন, বয়স স্বল্পতার কারণে তার মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে না পারার কষ্টের কথা। একপর্যায়ে বক্তৃতা থামিয়ে বক্তৃতামঞ্চের একপাশে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থাৎ সামরিক কায়দায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট জানান।

একইভাবে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানিয়ে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণ কখনও শোধ হবেনা। তবে তাদেরকে তাদের প্রাপ্য সম্মান দিতেই হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির এই সূর্য সন্তানদেরকে শ্রদ্ধা করেন-ভালবাসেন।এসময় পুলিশ সুপার ঘোষণা করেন, সিলেটের সকল থানায় ওসির কক্ষে একটি নির্ধারিত চেয়ার রাখা হচ্ছে। যেখানে আর কেউ বসার অধিকার থাকবেনা। বীর মুক্তিযোদ্ধারা কোন প্রয়োজনে থানায় গেলে এই চেয়ারে বসে ওসিসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন।

পুলিশ সুপারের ঘোষণা আর পুলিশ কমিশনারের স্যালুট উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উচ্ছ্বসিত করে তুলে। অনেকে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে এভাবে তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যে তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এদিকে সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে মঞ্চে উঠেন সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান, মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশলাখ মানুষের আত্মদান, দু’লাখ নারীর সম্ভ্রম হারানো, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম সাহসিকতা ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলার চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি তার বক্তব্য রাখার পর আবার নিজের আসনে ফিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে না বসে আসনটি ছেড়ে সিলেট মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ভবতোষ রায় বর্মণ রানাকে। জাতির বীর সন্তানদের এমন সম্মান প্রদর্শন করা সিলেটে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সরকারি এই তিন শীর্ষ কর্মকর্তা।

তাদেরকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও অনেকেই স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল আজাদ নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিষয়টিকে উদাহরণ হিসাবে টেনে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি জেলা প্রশাসকের এমন উদারতায় ও সম্মান প্রদর্শন দেখে তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এই হচ্ছে মুদ্রার এক পিঠ। মুদ্রার আরেক পিঠে সমালোচনাও হচ্ছে কঠোর। তাও সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের। বিশেষ করে সম্মাননাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আসনের বিষয়ে

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার