• মঙ্গলবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৮

  • || ০১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
চুনারুঘাটে ইউপি সদস্যের মৃত্যুতে বিমান প্রতিমন্ত্রীর শোক আদালত কর্তৃক সিলেট প্রেসক্লাবের ভোটার তালিকা ও নির্বাচন স্থগিত শাবিতে ১২তম জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেটে বসছে ‘এক্সেল লোড কন্ট্রোলার’ সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন মুজিববর্ষ উপলক্ষে সিসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জে ৫ হাজার কৃষক পেলেন সরকারি প্রণোদনা

পাকিস্তানে মেয়ে-জামাইসহ ৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যা

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২১  

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে বিয়ে নিয়ে সৃষ্ট ক্ষোভের জেরে দুই মেয়ে, এক জামাই ও চার নাতিকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মূলত বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে তাদেরকে হত্যা করা হয়। নিহত ওই দুই মেয়ের মধ্যে একজন তার বাবার অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তির মতের বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) স্থানীয় পুলিশের বরাতে করা প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স তথ্যটি জানিয়েছে। মর্মান্তিক ঘটনাটির পর থেকে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন এবং তাকে আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

প্রাদেশিক পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল মাজিদ টেলিফোনে রয়টার্সকে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মনজুর হোসাইন। পাঞ্জাবের মুজাফফরগড় জেলার একটি গ্রামে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের শিকার দুই মেয়ের নাম ফৌজিয়া বিবি এবং খুরশিদ মাই। দুই বোন তাদের পরিবার নিয়ে ওই গ্রামের একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। আগুনে খুরশিদ মাইয়ের স্বামীও মারা গেছেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।

পাঞ্জাবের ওই পুলিশ কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৮ মাস আগে বাবার মতের বিরুদ্ধে গিয়ে ভালোবেসে মেহবুব আহমেদকে বিয়ে করেন ফৌজিয়া বিবি। এরপর থেকেই মেয়ের ও বাবার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। ফৌজিয়ার বাবা মনজুর হোসাইনও পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামে বসবাস করতেন।

যদিও বাড়ির বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান ফৌজিয়ার স্বামী মেহবুব আহমেদ। পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি জানিয়েছেন, বাড়িতে আগুন লাগার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খুব সকালে কাজ থেকে ফিরে তিনি বাড়িতে আগুন দেখতে পান।

মেহবুব আহমেদ আরও জানান, আগুনে পুড়ে ফৌজিয়ার পাশাপাশি তার চার মাস বয়সী ছেলে সন্তানও মারা গেছেন। এছাড়া ২, ৬ ও ১৩ বছর বয়সী খুরশিদ মাইয়ের তিন শিশু সন্তানও আগুনে পুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার