• মঙ্গলবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১২ ১৪২৮

  • || ২০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
শাবির প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত জৈন্তাপুরে ছেলের হাতে মা খুন! বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে পুলিশ : প্রধানমন্ত্রী শাবিতে ভিসি’র বাসবভনের সামনে খাটে শুয়ে অনশনের প্রস্তুতি শাবিতে আন্দোলন : ১৬ জন হাসপাতালে জেলা ভোগ্যপণ্য পরিবেশক গ্রুপের সাধারণ সভা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সিলেটে হচ্ছে ‘ওয়াসা’
১৭

লাইভে এসে যে কারণে কাঁদলেন রচনা ব্যানার্জি

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর ২০২১  

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি। সেই সঙ্গে সফল সঞ্চালক। কিছুদিন আগে হারিয়েছেন তার বাবাকে। রচনা আর তার বাবার বন্ধুসুলভ সম্পর্ক ছিল। তাই তো আচমকা পিতৃবিয়োগ সামলে উঠতেও বেশ কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিল অভিনেত্রীর।

পিতৃবিয়োগের কারণে জনপ্রিয় টিভি রিয়েলিটি শো ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ থেকে সাময়িক বিরতি নিয়েছিলেন রচনা ব্যানার্জি। সব কিছু সামলে নিয়ে গত ২৭ নভেম্বর থেকে তিনি আবার দিদি 'নাম্বার ওয়ান' এর শুট শুরু করেন। যা সম্প্রচারিত হয়েছিল ২৯ নভেম্বর।

শুটিংয়ে ফিরে ফেসবুক লাইভে রচনা বলেছিলেন ‘আপনারা সবাই জানেন এতদিন আমি কেন আসতে পারিনি। অনেকদিন পর আবার সেটে ফিরলাম। ঘরে ফিরে আসার মতোই। আশা করছি আবার সবাইকে আনন্দ দিতে পারব।’

পূজার আগেই রচনা তার শাড়ির কালেকশন নিয়ে এসেছেন তিনি সকলের জন্য। তৈরি করেছেন নিজস্ব ক্লোথিং ব্র্যান্ড যার নাম ‘রচনাস ক্রিয়েশনস’। একদম শুরুতেই বলেছিলেন নানান ধরনের ডিজাইনার শাড়ি সকলের সামনে তুলে ধরা তার প্যাশন।

রচনার শাড়ি নিয়ে অনেকদিন থেকেই কাজের উৎসাহ ছিল, অবশেষে তা শুরু করতে পেরেছেন। তবে, বাবা মারা যাওয়ায় শাড়ির ব্যবসা থেকেও নিজেকে দূরে রেখেছিলেন। আসেননি লাইভে। দেখাননি নতুন কালেকশন।

শাড়ি নিয়ে লাইভে এসে রচনা অশ্রু আঁখিতে রচনা বলেন, 'আগে লাইভ করলে বাবা পাশে থাকত। বাবা আমাকে বলতেন ভালো করে করবে। যেটা করছ মন দিয়ে করবে। বাবা চলে যাওয়া আমার কাছে শক ছিল। রচনা ব্যানার্জি হওয়া, কাজ করার পিছনেও আমার বাবা। সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত করতেন। যখন আমি ভাবলাম 'রচনাস ক্রিয়েশন' শুরু করব, তখনও বাবাই আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছিল।

বাবা আমার ছিল আমার কাছে একটা পিলারের মতো। তাই আগের লাইভে দেওয়া নতুন নতুন শাড়ির কালেকশন নিয়ে আসব, এই কথা রাখতে পারিনি। কিন্তু পরে ভাবলাম, বাবা তো এরকমটা কখনও চায়নি, যে আমি সব ছেড়ে ঘরে বসে থাকব। থাই ধীরে ধীরে আবার ফিরলাম কাজে।’

লাইভ করতে করতে লাইভের মাঝেই রচনা চোখের পানি মুছে বলেন, বাবাই ছিল তার জীবনের সমস্ত কাজের অনুপ্রেরণা। তাদের সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো। তাই তো পিতৃহারা হয়ে প্রথমটা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ভুলেছিলেন নাওয়া খাওয়া!

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার