• রোববার   ২৯ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৯

  • || ২৬ শাওয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
নেই বৈধ কাগজ, বন্ধ ৫ টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সরকারের খাদ্য সহায়তা পেল সিলেটের ১৩ হাজার পরিবার শাহজালাল মাজারে ওরস উপলক্ষে ‘লাকড়ি তোড়া’ উৎসব ১২ ঘণ্টায় ৭ নবজাতকের জন্ম! জাফলং গিলছে বালুখেকোরা, অভিযান-জরিমানা সেমিফাইনালে মাধবপুর বালিকা দল
৫১

মারা গেছেন ‘মাসুদ রানা’র স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০২২  

দেশের জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র ‘মাসুদ রানা’র স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার পর রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

লেখক কাজী আনোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ মাসুমা মাইমুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

গত ১০ জানুয়ারি থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

লেখক ছাড়াও কাজী আনোয়ার হোসেন অনুবাদক ও প্রকাশক ছিলেন। সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে তিনি ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্র সৃষ্টি করেন। 

এর কিছু আগে ‘কুয়াশা’ নামের আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিল। বিদ্যুৎ মিত্র ও শামসুদ্দীন নওয়াব ছদ্মনামেও বই লিখেছেন তিনি।

গত বছরের অক্টোবরে কাজী আনোয়ার হোসেনের প্রোস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়ে। মাঝে পাঁচবার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তারপর ব্রেইন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক হয়।

বাংলাদেশে পেপারব্যাক বই প্রকাশের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল সেবা প্রকাশনী। এই প্রকাশনী পাঠকদের হাতে স্বল্পমূল্যে তুলে দিয়েছে বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত সব উপন্যাসের অনুবাদ।

১৯৬৬ সালে বিদ্যুৎ মিত্র ছদ্মনামে মাসুদ রানার প্রথম বই 'ধ্বংস পাহাড়' প্রকাশ করেন কাজী আনোয়ার হোসেন। অভাবনীয় জনপ্রিয়তা পায় সে বই। এরপর তরুণ প্রজন্মের পাঠকদের কাছে আইকন হয়ে ওঠে মাসুদ রানা চরিত্র। অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে সাড়ে চারশোর বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে এ সিরিজের।

কাজী আনোয়ার হোসেন গানও গাইতেন। ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পীও। যদিও পরে সে পেশা ছেড়ে দেন। এছাড়া ১৯৭৪ সালে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে বাচসাস পুরস্কার পান। পেয়েছেন সিনেমা পত্রিকা ও জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কারও।

কাজী আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৯ জুলাই, ঢাকায়। তাঁর বাবা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মা সাজেদা খাতুন।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার