• সোমবার   ১৮ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৩ ১৪২৮

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
টাঙ্গুয়ার হাওরের ময়লা পরিষ্কার করলেন ডিসি মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ১৪ ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ সিলেটসহ ৩৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু লিডিং ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসেই মিলছে টিকা সিলেটে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন মৌলভীবাজারে পাশাপাশি মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন

সততা সফল জীবনের পাথেয়

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১  

সততা মানবচরিত্রের শ্রেষ্ঠ গুণ। জীবনে সততার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। মহান আল্লাহ মানবসমাজকে যে সীমারেখায় চলতে নির্দেশ দিয়েছেন, তাতে সততা অপরিহার্য।

মানবসমাজের নিরাপত্তা, সুখ-শান্তি, উন্নতির ভিত্তি হলো সততা। এ কারণেই সততাকে আপন করে নিতে গুরুত্ব দিয়েছে ইসলাম। সততার মাধ্যমেই

ইসলামি জিন্দেগির পূর্ণতা অর্জিত হয়।

সততার পুরস্কার

সততা মুমিনের অনেক বড় গুণ। সততার পুরস্কার দেবেন মহান আল্লাহ। সত্যবাদীদের প্রশংসা ও গুণাবলি উল্লেখ করে কুরআনে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ সত্যবাদীদের পুরস্কৃত করেন, তাদের সত্যবাদিতার জন্য এবং তাঁর ইচ্ছা হলে মুনাফিকদের শাস্তি দেন অথবা তাদের ক্ষমা করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু,’ (সূরা আহজাব, আয়াত : ২২-২৪)।

কেয়ামতের দিন সততার কারণে জান্নাত মিলবে সত্যবাদীদের। আল্লাহতায়ালা বলবেন, ‘এই সেই দিন যেদিন সত্যবাদীরা তাদের সততার জন্য উপকৃত হবে, তাদের জন্য আছে জান্নাত যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে; আল্লাহ তাদের প্রতি প্রসন্ন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট; এটা মহাসফলতা, (সূরা মায়িদা, আয়াত : ১১৯)।

সততায় বরকত

ব্যবসা-বাণিজ্যসহ যাবতীয় লেনদেনে সততার পরিচয় দিলে তাতে বরকত হয়। নবীজি (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যদি ক্রেতা-বিক্রেতা সত্য বলে এবং ভালো-মন্দ প্রকাশ করে দেয় তাহলে তাদের লেনদেন বরকতময় হবে। আর যদি উভয়ে মিথ্যা বলে এবং দোষত্রুটি গোপন করে তাহলে এ লেনদেন থেকে বরকত

উঠিয়ে নেওয়া হবে,’ (মুসলিম, হাদিস : ১৫৩২)।

সততা অবলম্বকারীদের জন্য মহানবী (সা.) সুপারিশ করবেন। সততার প্রশংসা করে মহানবী (সা.) বলেন, ‘আমার সুপারিশ তার জন্য যে সাক্ষ্য দেবে আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। এমন নিষ্ঠার সঙ্গে যে-তার অন্তর তার মুখকে সত্যায়ন করবে এবং মুখ অন্তরকে সত্যায়ন করবে,’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৮০৭০)।

মিথ্যার পরিণতি

আজকাল মিথ্যা বলাটা অনেকের জন্য ফ্যাশন হয়ে গেছে। যে ব্যক্তি যত পরিমাণ মিথ্যা বলতে পারে তাকে তত পরিমাণ চতুর ও বুদ্ধিমান মনে করা হয়। মিথ্যা ও ফাঁকিবাজি এগুলো গুনাহের কাজ, এ বিশ্বাসটি মানুষের হৃদয় থেকে উঠে যাচ্ছে। অথচ এগুলো এমন কাজ যার দ্বারা গোটা সমাজ অশান্তি, রিজিকের সংকীর্ণতার মধ্যে নিপতিত হয়।

চিন্তা করে দেখতে হবে জীবনের বাঁকে বাঁকে আমরা কত মিথ্যার কী পরিমাণ আশ্রয় নিচ্ছি। সততা থেকে আমরা কত পিছিয়ে। তাই সব সময় কথা ও কাজে সততা ও স্বচ্ছতার পরিচয় দেওয়া এবং মিথ্যার অভিশাপ গ্লানি থেকে বেঁচে থাকা জরুরি। এতে দুনিয়া ও আখিরাতে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে উপযুক্ত বিনিময় মিলবে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার