ব্রেকিং:
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সাংবাদিকদের স্মার্ট হতে আহ্বান শফিক চৌধুরীর পিনাকীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে সিলেটে মামলা দেশকে এগিয়ে রাখতে শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি: সিসিক মেয়র জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হলো সিলেটের আরও ১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সংরক্ষিত ৪৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে আ.লীগ মনোনীতরা গ্রামীণ উন্নয়নে আওয়ামিলীগ সরকার সবসময় আন্তরিক : ইমরান আহমদ দেশে রিজার্ভ সংকট নেই, উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান : গণপূর্তমন্ত্রী প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে : পাপন কুলাউড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু শেখ হাসিনার দর্শন:ভিশন ও নেতৃত্ব,উন্নয়নের চাবিকাঠি’ বই ড. মোমেনের দেশে আন্দোলনের কোনো ইস্যু নেই: কাদের অঙ্গীকার পূরণে এলাকার জন্য ২০ কোটি করে টাকা পাচ্ছেন এমপিরা মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মুস্তাফিজ মঙ্গলবার থেকে সিলেটসহ সারাদেশে বৃষ্টির আভাস, ফের বাড়তে পারে শীত! প্রতি সপ্তাহে বুধবার বসবে ভোলাগঞ্জ বর্ডার হাট! সিলেটে গ্যাস ও তেল নিয়ে মিললো আরও সুসংবাদ শেখ হাসিনা ও জেলেনস্কির বৈঠক, কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জেলেনস্কির টুইট
  • সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১২ ১৪৩০

  • || ১৪ শা'বান ১৪৪৫

সর্বশেষ:
মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মুস্তাফিজ সিলেটে ‘বর্জ্য পৃথকীকরণ প্ল্যান্ট’ উদ্বোধন করলেন এলজিআরডি মন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জেলেনস্কির বৈঠক, কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জেলেনস্কির টুইট সিলেটে গ্যাস ও তেল নিয়ে মিললো আরও সুসংবাদ মঙ্গলবার থেকে সিলেটসহ সারাদেশে বৃষ্টির আভাস, ফের বাড়তে পারে শীত! স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সাংবাদিকদের স্মার্ট হতে আহ্বান শফিক চৌধুরীর দেশকে এগিয়ে রাখতে শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি: সিসিক মেয়র অঙ্গীকার পূরণে এলাকার জন্য ২০ কোটি করে টাকা পাচ্ছেন এমপিরা দেশে আন্দোলনের কোনো ইস্যু নেই: কাদের শেখ হাসিনার দর্শন:ভিশন ও নেতৃত্ব,উন্নয়নের চাবিকাঠি’ বই ড. মোমেনের দেশে রিজার্ভ সংকট নেই, উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান : গণপূর্তমন্ত্রী পিনাকীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে সিলেটে মামলা প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে : পাপন গ্রামীণ উন্নয়নে আওয়ামিলীগ সরকার সবসময় আন্তরিক : ইমরান আহমদ সংরক্ষিত ৪৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে আ.লীগ মনোনীতরা জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হলো সিলেটের আরও ১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
৩১০

দুবাইয়ের রহস্যময় এক গ্রাম, সকালে চোখের সামনে থাকলেও রাতে গায়েব

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২২  

‘দুবাই’ নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে প্রচুর টাকা, তেল, বিলাসবহুল জীবন, বুর্জ খলিফাসহ নানা ছবি। এই বিলাসবহুল জীবনের বাইরেও কিছু বিষয় রয়েছে যা অনেকেরই অজানা।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে মরুভূমি। আর মরুভূমির মাঝে রয়েছে এক রহস্যময় গ্রাম।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন এটি বিশ্বের অন্যতম ‘রহস্যময়’ একটি জায়গা। গ্রামটির নাম আল মাদাম। গ্রামটি নাকি রাতে উধাও হয়ে যায়। আবার সূর্যের আলো ফুটতেই দেখা দেয় সেই গ্রাম। এই জন্য আল মাদাম গ্রামকে ‘ভুতুড়ে গ্রাম’ও বলা হয়। কিন্তু কেন এই ঘটনা ঘটে তার সঠিক কারণ আজও খুঁজে বেড়াচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। গ্রামটির এই ভুতুড়ে ঘটনা চাউর হতেই বিজ্ঞানীরা এর কারণ খুঁজতে আল মাদামে যান। 

প্রাথমিক ভাবে বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন যে, গ্রামে নাকি এমন এক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল যে কারণে ঐ গ্রামের ধারেকাছে ঘেঁষতেও কেউ সাহস পেতেন না। দুবাই থেকে এক ঘণ্টার দূরত্বে মরুভূমির মাঝে শারজার সীমানালাগোয়া এই জনশূন্য গ্রামে যে কয়েকটি বাড়ি রয়েছে, সেগুলোর দরজা-জানলা হাট করে খোলা। ঘরের আসবাবপত্রও এলোমেলো। দেখে মনে হবে, কোনো তাড়াহুড়োয় বা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে সব ফেলে পালিয়েছেন বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের দাবি, ১৯৭০ সালের আশপাশে এই গ্রামটির সৃষ্টি। গ্রামে গেলেই একটা অদ্ভুত নিস্তব্ধতা অনুভূত হবে। গা ছমছমে ভাব চতুর্দিকে। চারদিকে ধু ধু করছে বালি। আর তার মাঝখানে বালির মধ্যে থেকে মাথা উঁচিয়ে আছে বেশ কয়েকটি বাড়ি আর একটি মসজিদ। দিনের বেলায় আর পাঁচটা গ্রামের মতোই লাগবে আল মাদামকে। তবে রাত হতেই এর চেহারা বদলে যায়। সেখানে যে একটা গ্রাম রয়েছে তা বোঝা দায় হয়ে যায়।

প্রাথমিক ভাবে বিজ্ঞানীরা মনে করেছিলেন, রাতের বেলায় বালিতে ঢাকা পড়ে যায় পুরো গ্রাম। কারণ সেখানে ক্রমাগত হাওয়া চলতে থাকে। যে কারণে বালি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সেই হাওয়ার সঙ্গে উড়ে যায়। আর সে বালির তলায় চাপা পড়ে যায় গ্রাম। তবে এই যুক্তিকে আবার বিজ্ঞানীদের একাংশ খণ্ডন করেছেন। তাদের দাবি, রাতে বালিতে চাপা পড়ে গেলেও, দিনে আবার দ্রুত বালি সরে যায় কীভাবে? এমনটা তো সম্ভব নয়!

বিজ্ঞানীরা আরো একটি সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। তা হলো, রাতে দৃষ্টিভ্রমের কারণে গ্রামটি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে বলে মনে হয়। কারণ দুবাইয়ে যেমন অর্ধেক মরুভূমি, তেমনই রয়েছে সমুদ্র। ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বাতাস দ্রুত গরম হয়, আর উপরের দিকের বাতাস সমুদ্রের কারণে ঠাণ্ডা থাকে। ফলে নীচের দিকে যখন আলোর প্রতিসরণ হয়, তখনই মনে হয় গ্রামটি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে।

গ্রামটিকে আল কুতবি উপজাতি সম্প্রদায়ের বাস ছিল। প্রতিকূল পরিবেশ, ধু ধু মরুভূমি আর ক্রমাগত বালির হামলার কারণে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন কুতবিরা। গ্রামটির এই ‘রহস্যময়’ চরিত্রের জন্য তা পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। অনেক আবার রহস্য উদ্ঘাটনের টানে ছুটে আসেন। আল মাদামের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর বিশ্বাস, ঐ গ্রামে এক নারীর আত্মা ঘুরে বেড়ায়। উম দুয়াইস নামে ঐ আত্মার বিড়ালের মতো চোখ, হাতে ধারালো অস্ত্র থাকে।

সূত্র: আনন্দবাজার 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার