• বুধবার   ৩০ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯

  • || ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
শান্তিগঞ্জে সুপেয় পানি পাবে ১৬০০ পরিবার নিউইয়র্কের পুলিশ অফিসার বড়লেখার তৌফিকের কৃতিত্ব শেষ ষোলোয় টিকে থাকতে রাতে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা জঙ্গি ছিনতাই: আরও এক পুলিশ সদস্য বরখাস্ত সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে দেড় কোটি টাকার তক্ষক জব্দ ঠান্ডায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগীর চাপ হবিগঞ্জে ভুলে ভরা প্রশ্নপত্রে বার্ষিক পরীক্ষা!
১৫৩

তোমরা মুসলমান হয়েছেও সত্য কিন্তু মানুষ হতে পারও নি?

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২২  

প্রথমত ফিরে যাবও ১৬ অক্টোবর ২০২০ সালে।সবার মনে না থাকলেও কিছু কিছু মানুষের মনে আছে সেই দিনের কথা।স্যামুয়েল প্যাটি, ফ্রন্সের একজন সেকেন্ডারি স্কুলের শিক্ষক নির্মম ভাবে নিহত হয়েছিলেন এক ইসলামী জংগি দ্বারা। শুধুমাত্র বাকস্বাধীনতার উপর ক্লাস নেয়ার জন্য নির্মম ভাবে নিহত হতে হয়েছিল জাতিগড়ার একজন শিক্ষককে।উল্লেখ্য সেই ক্লাসের শুরুতে উনি উনার ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে এটা ও বলেছিলেন যে যদি কারও কথাগুলো না শোনার ইচ্ছে থাকে তাহলে যেকেউ ক্লাস ত্যাগ করতে পারবে। খুব সহজাত উনার ক্লাস টা শোনার জন্য উনি কাউকে বল প্রয়োগ পর্যন্ত করেন নি।

সেই হত্যার প্রতিবাদে ফ্রান্সের মানুষ বিক্ষোভে ফেটে উঠে। প্রেসিডন্ট ম্যাক্রন সাহেব স্পষ্ট বলে দিলেন ফ্রান্স ইসলামের চরমবাদ মেনে নিবে না,ইসলামের চরমবাদ সন্ত্রাসকে রুখে দিতে ফ্রান্স বদ্ধ পরিকর। বাংলাদেশের তথাকথিত কিছু ইসলামের হেফাজতকারী নামদারি পেয়ে গেলও একটা সুযোগ নিজেদের মুসলমানিত্ব জাহির করার। তারা সব জায়গায় বলে বেড়াতে শুরু করলও ফ্রান্স ইসলামের বিরুদ্ধচারন করেতেছে তাই সকল মুসলমানকে এর প্রতিবাদ করতে হবে। এই যে বাংলার আবার কিছু হুজুগে মুসলমান আছে এরা এই নামধারী আলেমরা যা ই বলে তা ই কোন কিছু না জেনে গলাধ:করন করে নেয়। আর হ্যা নিয়েই নিল। শুরু করে দিল বিক্ষোভ আর ফ্রান্সের পণ্য জ্বালানি।এই হুজুগেদের বিপরীতে গিয়ে সেই দিন সিলেট শহীদমিনারে সত্য কথা বলেছিলাম আর তাই ত জংগিদের আগুন সন্ত্রাসের শিকার হয়েছিলাম। জানি না কোনো রকমে কীভাবে বেঁচে গিয়েছিলাম। মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়ে ফিরে এসেছি।

যাক এখন চলে আসি আজকের দিনে
“A century ago, on October 19, 1922, our nation affirmed to the world that we could be French and Muslim, in the most manifest and sustainable way: by laying the first stone of the Grand Mosque of Paris.
A haven of peace born out of a storm of history: hundreds of thousands of Muslims fought for France in 14-18, and so many shed their blood.
The names of these Senegalese pull-ups - also from Mali, Ivory Coast, from all of West Africa - and of these Algerian pull-ups – also from Morocco or Tunisia - became synonymous with loyalty and courage.
During the Second World War, the courage of the French of the Muslim faith was no less. By hundreds of thousands they took up arms
The foreground of the Grand Mosque is named after Abdelkader Mesli, the youngest imams of the Grand Mosque who joined the Resistance. From deportation, sad price for his heroism, he returns with a broken body but with the will always as burning to do good.
Rector Kaddour Benghabrit, first rector of the Grand Mosque of Paris, showed the same commitment. He received the medal of the French Resistance in 1947.
In their example and in their wake, thanks to all the enlightened minds, the Grand Mosque of Paris embodies the harmony of men and religions when they accept that one's faith must not compel that of others, but the freedom to believe and some of them should not scold the freedom to not believe others.
This is Secularism.
This is the Brotherhood.
This is the Republic.
We will not let the tear of what our country has known in recent years create a cesspool of resentment and defiance towards Muslims. I will repeat it repeatedly: there are not French on one side, on the other side Muslims. We can be each other, harmoniously, unbreakable.
There is only one Republic: the freedom to believe or not to believe. The one where the state guarantees religious freedom. She who watches over all those who are attacked for their beliefs, whether Muslim, Jewish, Catholic, Protestant or any other faith.”
এটা প্রেসিডন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের আজকের পোস্ট।
পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বৈচিত্রময় দেশ হচ্ছে ফ্রান্স। এই দেশে রয়েছে বিভিন্ন ধর্মের,বিভিন্ন সংস্কৃতির,বিভিন্ন জাতের এমনকি বিভিন্ন দেশের মানুষ।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো এই দেশ সবচেয়ে বেশি নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়ের দেশ। এই দেশ মানাবাধিকার রক্ষায় সবার চেয়ে এগিয়ে।
পোস্ট খুব ভালো করে পড়েন এবং বুঝেন। কেন এই দেশগুলোর মানুষ সভ্য আর আপনারা এখনও অসভ্য। এই মানুষগুলো কখনও কোন ধর্মের বিরুদ্ধে যায় না আবার কেউ যদি কোন ধর্মে বিশ্বাসী না হয় তাহলে তারও বিরুদ্ধে যায় না। শুধুমাত্র ব্যাক্তিস্বাধীনতা না বাকস্বাধীনতা রক্ষায় এরা বদ্ধ পরিকর। 
এযাবৎ ফ্রান্স সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার হয়েছে ইসলামী জংগি দ্বারা কিন্তু কোনো সময় ই এরা ইসলামের বিরুদ্ধে যায় নি, গিয়েছে চরমবাদ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। ফ্রান্সের ইতিহাসে যেমন রয়েছে হাজারও মুসলমানের রক্তহারানো বীরত্ব, তেমনি ফ্রান্সও তাদের স্মরন করে মাথানত অভিবাদনের মাধ্যমে। তোমরা যারা ফ্রান্সের এই মসজিদ দেখে আলহামদুলিল্লাহ আজকে বলতে পারলে,তারা কী ঐই দিন স্যামুয়েল প্যাঠি হত্যা পর ইন্নালিল্লাহ বলতে পেরেছও। যদি আজকে এই মসজিদ দেখে তুমরা খুশি হউ তাহলে এখনও স্যামুয়েল প্যাঠি হত্যার কথা মনে করে তুমাদের কষ্ট এবং ব্যাথিত হওয়া উচিত অন্যতায় তোমরা মুসলমান হয়েছেও সত্য কিন্তু মানুষ হতে পারও নি।

Writer: Md Abdul Bachith Razel
Volunteer
(Aiming to prevent the isolation and suicide of young LGBT+ people, aged 14 to 25, victims of homophobia or transphobia and in a situation of family breakdown)
La fondation Le Refuge
Paris Accueil Bénévoles

Bénévole

Délégation IDF / Paris

108 rue de la Folie Méricourt

75011 Paris


 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার