• সোমবার   ১৮ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৩ ১৪২৮

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
টাঙ্গুয়ার হাওরের ময়লা পরিষ্কার করলেন ডিসি মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ১৪ ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ সিলেটসহ ৩৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু লিডিং ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসেই মিলছে টিকা সিলেটে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন মৌলভীবাজারে পাশাপাশি মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন

গ্রামে-গঞ্জে বেড়েছে টিকা গ্রহণের আগ্রহ

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৯ আগস্ট ২০২১  

সিলেটের গ্রামে-গঞ্জে বেড়েছে করোনার টিকা গ্রহণের আগ্রহ। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ঘুরে খোঁজ নিয়ে এ তথ্য জানা গেছে। কিছুদিন পূর্বেও করোনার টিকা নেওয়ার বিষয়ে গ্রাম-গঞ্জের মানুষের মাঝে উদাসীনতা ছিল। ছিল টিকা গ্রহণে ভীতিও। কিন্তু গত কয়েকদিনে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে করোনার ভীতি তৈরি হয়েছে। তাই টিকা নিতে নিবন্ধনকারীর সংখ্যাও বেশি দেখা যাচ্ছে।

গত শনিবার সারা দেশের মতো সিলেটেও একযোগে চালু হয়েছে গণটিকা কার্যক্রম। এ কার্যক্রম চলাকালীন গ্রাম-গঞ্জের কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে।

শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরেজমিনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকা কেন্দ্র ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ৬টি টিকা কেন্দ্রে চোখে পড়ার মতো ভিড় ছিল টিকা গ্রহণকারীদের। হাসপাতাল কেন্দ্রে নিবন্ধন কার্ড ও ইউনিয়ন কেন্দ্রে আইডি কার্ড হাতে নিয়ে দীর্ঘ লাইনে নারী-পুরুষদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পুরুষদের তুলনায় নারীদের ছিল বেশি উপস্থিতি।

এ সময় টুকের বাজার এলাকার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান (৩৮) বলেন, আগে টিকা নিতে ভয় লাগত। তবে পরে যখন টিকা নিতে সাহস করলাম, তখন দেখি টিকার সংকট। এবার গণটিকা চালু হতেই দ্রুত চলে এসেছি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী খায়রুল আমিন বলেন, লাইনে দাঁড়িয়ে সিরিয়াল পাইনি। স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার ছাড়া টিকা দেওয়া যাবে না। কিন্তু আমাদের ওয়ার্ড মেম্বার সকালে উপস্থিত থাকলেও এখন নেই।

স্বামীর সঙ্গে টিকা নিতে এসেছিলেন টুকেরগাঁও গ্রামের আয়েশা বেগম (৪২)। তিনি বলেন, আগে তো গায়ে লাগাইনি। এই কয়দিনে দেখলাম অনেকেই টিকা নিয়েছেন। তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। তাই এখন ভয় কেটে গেছে। তারা যেহেতু টিকা নিয়ে ভালো আছেন, আমরা কেন বাদ যাব?

ইসলামপুর ইউনিয়ন টিকা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্যকর্মী হাসিবুর রহমান বলেন, ইদানিং টিকা আসার পরে মানুষের যথেষ্ট সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রথমে উপজেলা হাসপাতালের বুথে করোনার টকা দেওয়ার সময় মানুষের আগ্রহ কম থাকলেও করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ও ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম চালু হওয়ায় এখন মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পুলিশ, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছেন।

কোম্পানীগঞ্জের ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, সাধারণ মানুষ প্রথম অবস্থায় ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহী না হলেও বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় শহর থেকে শুরু করে গ্রাম-গঞ্জেও এখন টিকা নিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান রাসেল বলেন, প্রথম অবস্থায় গ্রাম-গঞ্জে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কম থাকলেও কয়েকমাস যাবত বৃদ্ধি পাচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ কারণেই গ্রাম-গঞ্জের মানুষদের মাঝে করোনার টিকা নেওয়ার আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার