• বৃহস্পতিবার   ২১ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৮

  • || ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
সুনামগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে সম্প্রীতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেটে করোনায় শনাক্তের হার ০.৮৩ সিলেট থেকে স্পেনে গিয়েই স্বামীকে অচেতন করে স্ত্রীর চম্পট! মধ্যরাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে হঠাৎ তল্লাশি জুড়ীতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমুন্নত রাখতে সিলেটে সৌহার্দ্য বৈঠক

কানাইঘাটে প্রতিবন্ধী তরুনীকে ‘ধর্ষণ’, আদালতে স্বীকারোক্তি

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৮ জুলাই ২০২১  

কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের জন্তিপুর রাধানগর গ্রামে শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুনীকে ধর্ষণের ঘটনায় সিলেটের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেফতারকৃত দুই আসামী।

জন্তিপুর গ্রামের মৃত কবিরউদ্দিনের পুত্র সুহেল আহমদ ও রাধানগর গ্রামের ইয়ারিছ আলীর পুত্র ফয়ছল আহমদ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল হক জানান, আসামী সুহেল আহমদ তরুনীকে ধর্ষণ করেছে ও ফয়ছল আহমদ ধর্ষণের সময় সেখানে উপস্থিত থেকে সহায়তা করেছে মর্মে আদালতে শনিবার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। ভিকটিম তরুনীকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মূলত শারীরিক প্রতিবন্ধী ঐ তরুণীকে জোরপূর্বক ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে গ্রেফতারকৃত আসামী সুহেল আহমদ। এ কাজে তাকে সহযোগীতা করেছে মামলার অন্যান্য আসামীরা। গত বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) বিকালের দিকে মেয়েটি প্রাইভেট পড়ানো শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে পার্শ্ববর্তী জন্তিপুর গ্রামের মোরাকিব আলীর পুত্র রিয়াজ উদ্দিন তার নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায়। এ সময় রিয়াজ উদ্দিনের বাড়িতে কেউ ছিল না। এই সুযোগে রিয়াজ উদ্দিন তার ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। এতে দরজা বন্ধ করার দৃশ্যটি দেখতে পায় মৃত কবির আহমদের পুত্র সুহেল আহমদ। পরে সুহেল আহমদ তার সহযোগীদের খবর দিলে তারা রিয়াজের বাড়িতে এসে ঘরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে রিয়াজের সহযোগীতায় গ্রেফতারকৃত সুহেল আহমদ তরুনীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর রিয়াজ তরুনীকে ধষর্ণের চেষ্টা করলে অন্যান্য আসামীরা তারাও ধষর্ণের চেষ্টা করে। এতে তরুনী চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করলে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

মামলার বাদি তরুনীর বাবা মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন গ্রেফতারকৃত সুহেল আহমদ তার মেয়েকে ধর্ষণ করেছে এবং মামলার অপর ৪ আসামী ধর্ষণ করতে না পারলেও এ কাজে তারা সহযোগীতা করেছে।

থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল হক জানান, মেয়েটির পিতা গত বৃহস্পতিবার থানায় এসে এমন অভিযোগ জানানোর পর তাৎক্ষণিক অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলাম পিপিএম স্যারের নিদের্শে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার মুল আসামী ধর্ষণকারী সুহেল আহমদ ও সহযোগীতাকারী ফয়ছল আহমদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামী রিয়াজ উদ্দিন, ছোট সুহেল ও গিয়াছ আহমদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়রা জানান, শারীরিক প্রতিবন্ধী নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মেয়েটির সাথে মামলার আসামী রিয়াজ উদ্দিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এই সুযোগে রিয়াজ উদ্দিন সহজে মেয়েটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার