• বুধবার   ২০ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৪ ১৪২৮

  • || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
প্রথমবার জাতীয়ভাবে পালিত হচ্ছে ‘শেখ রাসেল দিবস’ জুড়ীতে ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন যারা আজ থেকে টিকা পাচ্ছেন শাবির সকল শিক্ষার্থী সিলেটের মন্দিরে হামলা ঠেকাতে রাত জেগে ছাত্রলীগের পাহারা হবিগঞ্জে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, সড়ক অবরোধ বিয়ানীবাজারে ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার শেখ রাসেলের জন্মদিনে সিলেট জেলা আ. লীগের মিলাদ

সিলেটের নয়নাভিরাম আদুরি ঝরনা এখন ‘গরিবের নাফাখুম’

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২১  

 
পর্যটন সমৃদ্ধ সিলেটকে বলা হয় প্রকৃতিকন্যা। পাহাড়, টিলা আর দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ চা-বাগান যেন আদরের চাদরে ঢেকে রেখেছে সিলেটকে। যেখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্রকৃতির রূপ-লাবণ্যের অপূর্ব ভান্ডার। রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। গ্যাস, পাথর, বালু, কয়লা, ইউরেনিয়ামসহ প্রাকৃতিক সম্পদের ভান্ডারও আছে এই সিলেটে। এবার সিলেটে দেখা মিলেছে আরো একটি নয়নাভিরাম ঝরনার। সেটা দেখতে যেমন আদুরে নামটাও বড্ড আদুরে। আদুরি ঝরনা।

জৈন্তাপুর উপজেলায় নতুন এ ঝরনার অবস্থান। দীর্ঘদিন ধরে শুধুমাত্র স্থানীয়রাই জানতো আদুরি ঝরনার কথা। সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে এবার প্রকৃতিপ্রেমিদের কাছে পৌঁছেছে পাহাড়ের বুক দিয়ে নেমে আসা ‘গরিবের নাফাখুম’ খ্যাত আদুরির স্বচ্ছ জলরাশির কথা। ওই এলাকার এক কিলোমিটারের মধ্যে আরো দুটি ঝরনা রয়েছে। তবে পানি প্রবাহ না থাকায় ওই দুটির সৌন্দর্য সারাবছর থাকে না। বৃষ্টি হলে সেগুলো রূপ দেখায়।

জৈন্তাপুর ইউনিয়নের শ্রীপুরের খড়মপুরে অবস্থিত ‘আদুরি ঝরনা’। তার পাশেই আরো দুটি ঝরনা রয়েছে। এগুলো হলো শ্রীপুর চা-বাগান ঝর্না, শ্রীপুর মরা ঝরনা। তবে বৃষ্টিপাত না হলে চা-বাগানের ভেতরের এ ঝরনার দেখা মেলে না।

স্থানীয়রা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর পেয়ে ঝরনার দৃশ্য দেখতে পর্যটকরা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। তবে করোনা সংক্রমণ রোধে বিধিনিষেধ ও কঠোর লকডাউনের কারণে বাইরের মানুষ যেতে পারছে না। স্থানীয়রা খবর পেয়ে ঘুরে দেখছেন ঝরনা তিনটি।

দীর্ঘদিন ধরেই এই ঝরনাগুলো আছে। লোকালয়ের আড়ালে থাকায় এগুলোর অবস্থান সম্পর্কে স্থানীয় গ্রামবাসী ও চা-বাগানের শ্রমিকরা ছাড়া অন্য কেউ জানতো না। এছাড়া যাতায়াত ব্যবস্থা ভাল না থাকায় লোকচক্ষুর অন্তরালে রয়ে গেছে ঝরনাগুলো। মাঝেমধ্যে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা বেড়ানোর ছলে ঝরনা ঘুরে দেখে। গ্রামের লোকজন কৃষি কাজে ঝরনার পানি ব্যবহার করে।

প্রকৃতিপ্রেমীরা বলছেন, মানুষের পাশাপাশি সরকার এগিয়ে এলে সিলেটের পর্যটন শিল্পে আদুরি ঝরনা যোগ হবে। এর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়বে দেশজুড়ে। সিলেটকে পর্যটন সমৃদ্ধ করতে সরকারিভাবে ঝরনাগুলো সংরক্ষণের দাবি জানান তারা।  

জৈন্তাপুরের ইউএনও নুসরাত আজমেরী হক বলেন, আমার উপজেলায় এত সুন্দর ঝরনা আছে জানা ছিল না। আমি খোঁজ নিচ্ছি। সেগুলো যদি পর্যটন উপযোগী হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে ঝরনাগুলোকে পর্যটনের আওতায় নিয়ে আসতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেব।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার