• সোমবার   ১৮ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৩ ১৪২৮

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
টাঙ্গুয়ার হাওরের ময়লা পরিষ্কার করলেন ডিসি মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ১৪ ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ সিলেটসহ ৩৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু লিডিং ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসেই মিলছে টিকা সিলেটে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন মৌলভীবাজারে পাশাপাশি মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন

গোয়াইনঘাটে ৩৩৩ নাম্বারে ফোন করে খাদ্য সহায়তা পেলো ৩০০ পরিবার 

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০২১  

বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত লকডাউনে অসহায় দিনমজুরদের তাৎক্ষণিক খাদ্য সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে জাতীয় সেবা ‘৩৩৩’। এ নাম্বারে ফোন করে এ পর্যন্ত সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় ৩ শতাধিক অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবার খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন।

দেশের শেষ সীমান্তে ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত গোয়াইনঘাট উপজেলায় বসবাস করেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে উক্ত খাদ্য সহায়তা পাওয়ায় উপকার ভোগী পরিবার গুলো অনেক খুশী।

গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিলুর রহমান জানান, সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় বন্যা ও বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশে চলছে কঠোর লকডাউন। দুর্যোগকালীণ ওই মূহুর্তে কেউ যাতে খাদ্যের অভাব বোধ করতে না পারে সে জন্য সরকার ৩৩৩ কল সেন্টারে ফোন দিয়ে সহায়তা চাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। সরকারি এ তথ্য গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা করেছি। পাশাপাশি ইউএনও ও পিআইও এর ব্যক্তিগত ফেইসবুকে ও উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুকে এই তথ্য প্রচার করা হয়।

অপর দিকে উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন থেকে জাতীয় ৩৩৩ কল সেন্টারে ফোন করে সহায়তা চাওয়া ব্যক্তিদের সঠিক ঠিকানা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রাপ্তির জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। এরমাধ্যমে প্রত্যেক ইউনিয়ন থেকে রয়েছেন অনেক স্বেচ্ছাসেবী। এছাড়া উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন পরিষদের আবেদনকারীর সন্নিকটের মুদি দোকান থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে জাতীয় কল সেন্টার ৩৩৩ থেকে আসা তথ্য সাথে সাথে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবীরা আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয় অবগত করেন। সহায়তা পাবার উপযোগী হলে আবেদনকারী ব্যক্তিকে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ৫ কেজি আলু, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি পিয়াজ, ৫০০ গ্রাম সুজি, ১ কেজি ময়দা, ১ কেজি চিড়া, ১ কেজি লবন ও সাথে স্থানীয় সবজিসহ একটি প্যাকেটে করে পৌঁছে দেওয়া হয়।

৩৩৩ জাতীয় কল সেন্টার ফোন করে সহায়তাপ্রাপ্ত জনৈক এক ব্যক্তি বলেন, পেশায় দিনমজুর মানুষ আমি। ছোট ভাই বোনসহ মোট ৫ জনের পরিবারের সদস্যরা আমার উপর নির্ভরশীল। মহামারি করোনাভাইরাসে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে অসহায় অবস্থায় দিন কাটছে। ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চাই। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, ডাল, তেল, পিয়াজসহ খাদ্যসামগ্রী দেয়া হয়। গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সংযুক্ত জনৈক ভলান্টিয়ার বলেন, খাদ্য সহায়তার জন্য এক ব্যক্তি ৩৩৩-এ ফোন দিয়েছিলেন। এ তথ্যটি উপজেলা প্রশাসনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেয়া হয়। গ্রুপ থেকে আমাকে দায়িত্ব দেয়া হলে যাচাই -বাছাই শেষে সে সহায়তা পাওয়ার যোগ্য বিধায় তার বাড়িতে সহায়তা পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি বলেন, ‘আমরা ৩৩৩ নম্বরটি প্রচার করেছি। কেউ খাদ্যকষ্টে থাকলে ফোন করলে তাঁকে তালিকাভুক্ত করে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার গনকে বলেছি যে যেখানে থাকুন না কেন খাদ্যকষ্টে থাকলে তাদের এনআইডির ভিত্তিতে খাদ্য সহায়তা দিতে হবে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার