• বুধবার   ৩০ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯

  • || ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
শান্তিগঞ্জে সুপেয় পানি পাবে ১৬০০ পরিবার নিউইয়র্কের পুলিশ অফিসার বড়লেখার তৌফিকের কৃতিত্ব শেষ ষোলোয় টিকে থাকতে রাতে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা জঙ্গি ছিনতাই: আরও এক পুলিশ সদস্য বরখাস্ত সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে দেড় কোটি টাকার তক্ষক জব্দ ঠান্ডায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগীর চাপ হবিগঞ্জে ভুলে ভরা প্রশ্নপত্রে বার্ষিক পরীক্ষা!
২৭

বিয়ানীবাজারে পরিত্যক্ত কূপে গ্যাসের সন্ধান

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১০ নভেম্বর ২০২২  

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) সিলেটের বিয়ানীবাজারে গ্যাস ফিল্ডের একটি পরিত্যক্ত কূপ খনন করে গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বাপেক্স এই কূপে গ্যাসের মজুদ থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয়। এর আগে, প্রতিষ্ঠানটি গত ১০ সেপ্টেম্বর বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ডের পরিত্যক্ত ১ নম্বর কূপ খনন শুরু করে। শিগগিরই এ কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হবে। এ কূপ থেকে প্রতিদিন সাত থেকে আট মিলিয়ন ঘন ফুট গ্যাস এবং ১০০ ব্যারেল কনডেনসেট সরবরাহ সম্ভব হবে বলে আশাবাদী বাপেক্স।

জানা যায়, সিলেট গ্যাস ফিল্ডসের অধীন বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রে দুইটি কূপ রয়েছে। ১৯৮১ সালে এ দুইটি গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু হলেও ১ নম্বর কূপ থেকে ১৯৯৯ সালে উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৪ সালে এটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৬ সালের শুরুতে ফের উৎপাদন শুরু হয়ে আবারো একই বছরের শেষদিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকার পর ১ নম্বর কূপে চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর থেকে গ্যাসের সন্ধানে খনন কাজ শুরু করে বাপেক্স। সিলেট গ্যাস ফিল্ডসের অধীনে থাকা পরিত্যক্ত গ্যাস কূপগুলোর মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৈলাশটিলা-২, রশীদপুর-২, রশীদপুর-৫ ও হরিপুর-৭ মোট চারটি কূপ পুনরায় খননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের শেষের দিকে চারটি কূপ খনন শুরু হবে এবং সেখানেও গ্যাস প্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. শাহীনুর ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ডের ১ নম্বর কূপটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে, গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে প্রায় দুই মাস এ কূপে পুনঃখনন কাজ চালিয়ে প্রায় তিন হাজার ৪৫৪ মিটার গভীর থেকে পরীক্ষা করে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। পরীক্ষামূলক অবস্থায় ১০ মিলিয়ন গ্যাস প্রবাহ হচ্ছে এবং গ্যাসের চাপ রয়েছে তিন হাজার ১০০ পিএইচ। কূপটিতে আগামী তিনদিন পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শেষে এ কূপ থেকে কি পরিমাণ গ্যাস দেওয়া সম্ভব হবে তা নিশ্চিত করা যাবে। ধারণা করা হচ্ছে দৈনিক সাত থেকে আট মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং প্রায় ১০০ ব্যারেল কনডেনসেট সরবরাহ করা যাবে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার