• বুধবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৩ ১৪২৯

  • || ০১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
শাবিপ্রবিতে ১ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটির ঘোষণা জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী তানভীরের মতবিনিময় সভা গুলিতে নয়, ইটের আঘাতে যুবদল কর্মী শাওনের মৃত্যু: এসপি সাকিব-মুশফিক ছাড়া প্রথম সিরিজ জয় এশিয়া কাপ খেলতে সিলেটে জাহানারা-জ্যোতিরা নবির কাছে সিংহাসন হারালেন সাকিব বিশ্বনাথে শেখ হাসিনার জন্মদিনে আ’লীগের কেক কাটা
২১

সিলেটে মাদক সাপ্লাইয়ে কারবারিদের ‘নতুন কৌশল’ 

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২  

সিলেটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ এড়িয়ে মাদকদ্রব্য বহন বা সাপ্লাইয়ে ‘নতুন কৌশল’ অবলম্বন করছে কারবারিরা।

র‍্যাব-পুলিশের সন্দেহের বাইরে থাকতে যাত্রীবেশে ট্র্যভেল ব্যাগের ভেতরে মাদকদ্রব্য ভরে উন্নতমানের বাসে করে সিলেট থেকে অন্যত্র কিংবা অন্য জায়গা থেকে সিলেট মাদকদ্রব্য আনা-নেওয়া করা হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত কৌশলটি ধরে ফেলেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সম্প্রতি পৃথক অভিযান চালিয়ে একই পরিবহনের বাস কাউন্টার থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সর্বশেষ গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার হুমায়ূন রশিদ চত্বর এলাকার গ্রিন লাইন এসি বাসের কাউন্টার থেকে গাঁজাসহ মো. সোহেল মিয়া (৩৫) নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার সঙ্গে থাকা ট্রাভেল ব্যাগের মধ্যে ৪ কেজি গাঁজা জব্দ করে পুলিশ। সোহেল মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার নলগড়িয়া এলাকার মৃত ছরু মিয়ার ছেলে।

এর আগে ৩১ আগস্ট রাতে একই বাস কাউন্টার থেকে ১০ কেজি গাঁজাসহ এক দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়। তারাও তাদের ট্রাভেল ব্যাগে করে মাদকদ্রব্য বহন করে অন্যত্র যাচ্ছিলেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- পটুয়াখালী জেলার দুমকি থানার আঠারগাছিয়া গ্রামের মৃত কাদের শিকদারের ছেলে মো. মিজান শিকদার (৩৮) ও তার স্ত্রী মোছা. ফারজানা আক্তার সেতু (১৯)। এই অভিযানের সময় শাহিন আলম (২৮) নামের আরেক মাদক কারবারি তার পিঠে বহন করা একটি ব্যাগ রেখে পালিয়ে যায়। ওই ব্যাগের ভেতরে আরও ৭ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, মাদকদ্রব্য বহন বা সরবরাহে নতুন কৌশল বেছে নিয়েছেন কারবারিরা। ভিআইপি বাসগুলোকে টার্গেট করেছে তারা। নতুন নতুন ট্রাভেল ব্যাগের ভেতরে মাদকদ্রব্য ঢুকিয়ে এসব এসব ভিআইপি বাসে করে সিলেট থেকে অন্যত্র বা অন্য জায়গা থেকে সিলেটে মাদকদ্রব্য আনা-নেওয়া করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতেই তারা এমন কৌশল অবলম্বন করছে। তবে অল্পদিনেই তাদের এমন কৌশল ধরে ফেলেছে পুলিশ। এদের পাকড়াও করতে সিলেটের ভিআইপি বাস কাউন্টারগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। এ ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব সোর্স পুলিশকে সহযোগিতা করছে।

এ বিষয়ে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান তালুকদার বলেন- যেহেতু দক্ষিণ সুরমায় বেশিরভাগ বাস কাউন্টার, তাই আমাদের- মানে দক্ষিণ সুরমা থানা ও ফাঁড়ি পুলিশের দায়িত্ব বেশি। এ বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পরপরই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে আমরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা শুরু করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় ৪ দিনের ব্যবধানে ৩ জনকে বাস কাউন্টার থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি।

এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) ও সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন- এ বিষয়ে বাস কাউন্টারগুলোতে আমাদের বিশেষ নজরদারি বাড়িয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট থানা ও ফাঁড়ির পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। অপরাধীরা যতই কৌশল অবলম্বন করুক পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিতে পারবে না।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার