• শনিবার   ০১ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৬ ১৪২৯

  • || ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
শাবিপ্রবিতে ১ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটির ঘোষণা জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী তানভীরের মতবিনিময় সভা গুলিতে নয়, ইটের আঘাতে যুবদল কর্মী শাওনের মৃত্যু: এসপি সাকিব-মুশফিক ছাড়া প্রথম সিরিজ জয় এশিয়া কাপ খেলতে সিলেটে জাহানারা-জ্যোতিরা নবির কাছে সিংহাসন হারালেন সাকিব বিশ্বনাথে শেখ হাসিনার জন্মদিনে আ’লীগের কেক কাটা
২৫

শাবি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ : কল ধরেন না প্রক্টর, থাকেন না অফিসেও 

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২২  

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইশরাত ইবনে ইসমাইলের বিরুদ্ধে ‘কল না ধরা ও অফিসে গিয়ে না পাওয়ার’ অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এতে শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালককে চিঠি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) বিকালে এ চিঠির কয়েকটি কপি সাংবাদিকদের কাছেও দেন শিক্ষার্থীরা।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ চিঠি দেন গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী উমর ফারুক, পদার্থ বিজ্ঞানের শাহরিয়ার আবেদীন, লোকপ্রশাসনের ইমু আনজুম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী অনিক সাজিদ আহসান ও পরিসংখ্যানের নওরীন জামান।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইস্যুতে গত চার মাসে অসংখ্যবার মুঠোফোনে প্রক্টরকে কল দিয়েছেন তারা। কিন্তু প্রক্টর বেশিরভাগ সময় শিক্ষার্থীদের কল ধরেননি। এমনকি প্রয়োজনের সময় কিংবা প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা অফিসে শিক্ষার্থীদেরকে ডেকে নিয়ে গেলেও প্রক্টরকে পাওয়া যায়না বলে জানা গেছে।

চিঠিতে শিক্ষার্থীরা লিখেন, ‘আমরা সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ইস্যুতে গত চারমাসে প্রক্টর মহোদয়কে অসংখ্যবার কল দিয়েছি। কিন্তু তিনি ৮ থেকে ৯ বার মাত্র কল ধরেছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি কল রিসিভ করেন না। কল রিসিভ করতে না পারলে পরবর্তীতে তা বেক করার প্রয়োজন বোধ করেন না। এছাড়া কয়েকবার সহকারী প্রক্টরদের সাথে যোগাযোগ করে মিটিংয়ের সময় নেয়া হলেও প্রক্টর বারবার ‘হয় মিটিং পিছিয়ে দিয়েছেন কিংবা উধাও হয়ে গেছেন।’

চিঠিতে আরও লিখা হয়, আমরা অন্যান্য কাজ ফেলে প্রক্টরের দেয়া সময় অনুযায়ী অফিসে তার সাথে দেখা করতে গিয়ে অনেকবারই তাকে পাইনি, প্রায় প্রতিবারই তাকে প্রক্টর অফিসে পাওয়া যায় না। এছাড়া প্রক্টর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক দায়িত্বে রয়েছেন বলে চিঠিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন। একাধিক দায়িত্বভারে তিনি নুয়ে পড়েছেন বলেও শিক্ষার্থীরা জানান।

এছাড়া চিঠিতে বলা হয়, একজন প্রক্টর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার কাজে ব্যস্ত থাকার কথা থাকলেও, তিনি প্রক্টরের কাজ ছাড়া অন্যান্য কাজে বেশি ব্যস্ত থাকেন। আমরা মনে করি, প্রক্টর নিজ দায়িত্ব ছাড়া অন্য কোন মিটিং বা কাজে ব্যস্ত থাকা উচিত নয়, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়।

বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজের জন্য যথাসময়ে প্রক্টরকে পাওয়া যায়না উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, যার ফলে শিক্ষার্থীরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এমনকি আমাদের বহু দাবিগুলোও নির্দিষ্ট সময়ে বাস্তবায়নে ব্যাহত হচ্ছে।

চিঠিতে শিক্ষার্থীরা লিখেন, প্রক্টরের দায়িত্ব ছাড়া অন্যান্য কাজগুলোর বোঝা কমিয়ে ইশরাত ইবনে ইসমাইল যাতে ‘প্রক্টর হিসেবে’ তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেন সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ যাতে কর্তৃপক্ষ নেয়।

এছাড়া এতদিন ‘কেন কলে বা অফিসে পাওয়া যায়না?’ এ ব্যাপারে প্রক্টরকে জবাবদিহিতা করতে হবে বলে চিঠিতে শিক্ষার্থীরা লিখেছেন। চিঠির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক আমিনা পারভীন সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি চিঠি তার দপ্তরে এসেছে। কিন্তু কি বিষয়ে তা তিনি বলতে পারেননি।

এদিকে শিক্ষার্থীদের ‘কল না ধরা বা অফিসে না পাওয়ার’ অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইশরাত ইবনে ইসমাইলকে মুঠোফোনে কল দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার