• বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

  • || ১১ মুহররম ১৪৪৪

সর্বশেষ:
হোটেল গ্র্যান্ড সিলেটের বাবুর্চির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
৩১

"প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ ব্যবস্থাপনায় কেউ না খেয়ে মারা যায়নি"

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০২২  

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও সরাসরি ব্যবস্থাপনায় সিলেট এবং সুনামগঞ্জের বন্যার্ত কোনো মানুষ না খেয়ে মারা যায়নি। স্বাস্থ্যসেবার অভাবে মৃত্যুবরণ করেনি। 

তিনি বলেন, বন্যার শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সকল স্তরের প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তর এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তার পরিপ্রেক্ষিতে সবাই বন্যার্ত অসহায় মানুষের সহযোগিতায় ঝাঁপিয়ে পড়েন। 

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অনেকেই আমাদের সমালোচনা করছেন। কেউ সমালোচনা করতেই পারে। তবে যারা সমালোচনা বেশি করেন তারা কাজ কম করেন। আর যারা কাজ করেন তারা কারো সমালোচনা করার সময় পান না। বন্যায় সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পানি ঢুকে যায়। জেনারেটর রুমে পানি ঢুকে পড়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কিছুটা ব্যাহত হয়। আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা থেকে বিকল্প জেনারেটরের ব্যবস্থা করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করি। ফলে হাসপাতালে রোগীদেরকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি। স্থানীয় প্রশাসন ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ছিলো এবং যে সময় যা দরকার, যে চাহিদা সেগুলো পূরণ করেছি। আমাদের সেনাবাহিনী, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ সবাই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে এবং বন্যার্তদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে। 

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা যেভাবে বিগত সময়ে করোনা মোকাবেলা করেছি, যেভাবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি, ঠিক সেভাবে বন্যাপরবর্তী রোগবালাই ছড়ালে সেগুলোও মোকাবেলা করার সকল প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। বন্যাকবলিত প্রত্যেক জেলা-উপজেলায় মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে এবং টিমগুলো কাজ করছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

সোমবার সকাল ৯টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পুরনো বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে রওয়ানা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। হেলিকপ্টারে চড়ে প্রথমে সুনামগঞ্জে ও পরে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। এরপর সকাল ১১টার দিকে সেটি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দর থেকে মন্ত্রী যান ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা কর্মকর্তাদের সঙ্গে করণীয় প্রসঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। পরে হাসপাতাল প্রাঙ্গনেই বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন মন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সিলেট-সুনামগঞ্জের প্রায় ৭ হাজার বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণসহায়তা প্রদান করা হয়।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার