• রোববার   ২৯ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৯

  • || ২৬ শাওয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
নেই বৈধ কাগজ, বন্ধ ৫ টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সরকারের খাদ্য সহায়তা পেল সিলেটের ১৩ হাজার পরিবার শাহজালাল মাজারে ওরস উপলক্ষে ‘লাকড়ি তোড়া’ উৎসব ১২ ঘণ্টায় ৭ নবজাতকের জন্ম! জাফলং গিলছে বালুখেকোরা, অভিযান-জরিমানা সেমিফাইনালে মাধবপুর বালিকা দল
৪৭

হারিস চৌধুরীর মতো ইলিয়াস আলীও কি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে !

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২২  

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা নিজেরাই আত্মগোপনে গিয়ে সরকারকে নানাভাবে দোষারোপ করছেন। বেশকিছু ঘটনার পর বিএনপির মিথ্যাচারগুলো প্রকাশ্যে চলে আসছে। এসব নিয়ে সিলেট ট্রিবিউনের আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।

সম্প্রতি বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর মৃত্যুর তথ্য নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর বড় বোন ও এক ছোট ভাই বলেছেন, তাঁরা শুনেছেন, তবে নিশ্চিত নন। লন্ডনে বসবাসরত হারিছ চৌধুরীর মেয়েকে টেলিফোন করা হয়েছে। সেখান থেকেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তবে হারিছ চৌধুরীর চাচাতো ভাই আশিক চৌধুরী দাবি করছেন, চার মাস আগে লন্ডনে মারা গেছেন হারিছ চৌধুরী।

কিন্তু গোয়েন্দা সূত্র বলছে, হারিছ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে তিনি জীবনযাপন করেছেন। তিনমাস আগে তিনি বার্ধক্য জনিত কারণে দেশেই মারা যান!

উল্লেখ্য; হারিছ চৌধুরী ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব ছিলেন। জোট সরকারের আমলে দোর্দণ্ড প্রতাপশালী এই নেতা এক-এগারোর পালাবদলের পর দেশ ছাড়েন। তার পর থেকে হদিস ছিল না তাঁর। ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহকর্মী বা আত্মীয়-স্বজন কেউ তাঁর ব্যাপারে কিছু বলতে পারেননি।

বিএনপির সাবেক সাংসদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হয়েছেন ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল। রাজধানীর বনানী থেকে গাড়িচালকসহ নিখোঁজ হন তিনি। এরপর কেটে গেছে নয় বছর। এরমধ্যে সরকার তাকে গুম করেছে বলে নানা সময়ে অভিযোগ করেছে বিএনপি। তাকে জীবিত ফিরিয়ে দিতে হয়েছে আন্দোলন। কিন্তু এতদিনেও বিএনপির সেই নেতার কোনো হদিস মেলে নি।  তবে, নিখোঁজের ৯ বছর পর ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল ইলিয়াস আলীকে নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বলেন, আওয়ামী লীগ ইলিয়াস আলীকে গুম করেনি। ইলিয়াস আলীকে গুম করার পেছনে ভেতরের কয়েকজন নেতা দায়ী। ওইসব নেতাদের অনেকেই চেনেন।

মির্জা ফখরুলের কথাই প্রমাণিত হয় ইলিয়াস আলী আত্মগোপনে রয়েছেন দেশের ভেতরেই।

এদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদকে নিয়েও গুজব ছড়ানো হয় তাঁকে সরকার গুম করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি অবৈধভাবে চলে যান প্রতিবেশী দেশ ভারতে। সেখানেই তিনি জীবনযাপন করছেন।

মামলার জটে আটকে থাকায় ভারতের মেঘালয় থেকে দেশে ফিরতে পারছেন না বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

২০১৫ সালের ১০ মার্চ ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন। পরবর্তীতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে 'উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাফেরা' করার সময় ওই বছরের ১১ মে তাকে আটক করে শিলং পুলিশ। তার নামে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে কক্সবাজার থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন। তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

মেঘালয়ে যখন আটক হন তখন তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। ভারতের জেলে থাকাকালে বিএনপি তাকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য করে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার