• শনিবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৮

  • || ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
তাহিরপুরে শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নে নৌকার একক প্রার্থী সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের হুশিয়ারি! নিখোঁজের দু’দিন পর রোমানার লাশ মিললো নদীতে শেষ ওভারের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ পরীক্ষার্থীদের হলে পৌঁছে দিচ্ছে সিলেট জেলা ছাত্রলীগ

গোলাপগঞ্জে মাখফিরা খানম ও মোস্তফা চৌধুরী ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২১  

সিলেটের গোলাপগঞ্জে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার তুরুকবাগ গ্রামের সালাম মকবুল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার এ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। মাখফিরা খানম ও মোস্তফা চৌধুরী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) বাঘা ইউনিয়নের তুরুকবাগে এই বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সালাম মকবুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাখফিরা খানম ও মোস্তফা চৌধুরী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানুষ তার স্বপ্নে চেয়েও বড় হয়। আমাদের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে শিক্ষা অর্জনের বিকল্প নেই। কিন্তু নানা বাধার কারণে অনেকে শিক্ষা অর্জনের পথ থেকে ঝরে যায়। তাদের অনেকের মেধা যাচাইয়ের সুযোগ আমরা পাই না। তারাও যেন নিজেদের মেধা প্রকাশের সুযোগ পায় না। তিনি আরও বলেন, এই বিদ্যালয়ের বৃত্তিটা তাই শুধু শিক্ষাবৃত্তি। কারণ অন্যান্য সময় শুধু মেধাবীদের বৃত্তি দেওয়া হয়। কিন্তু পরীক্ষায় মেধাবী তালিকার বাইরেও অনেক মেধাবী থাকে। তাদেরকে উৎসাহ দিতেই এই শিক্ষাবৃত্তি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক সিলেট মিরর সম্পাদক আহমেদ নূর, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মঞ্জুর শাফী এলিম, ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল ফজল চৌধুরী শাহেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মঞ্জুর শাফী এলিম বলেন, শিক্ষার্থীদের এখন পড়াশোনার সময়। সময়ের কাজটি সময়ে করতে হবে। মনযোগ দিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে পড়াশোনা করলে একদিন নিজের স্বপ্ন ছোঁয়া যাবে। কারণ বর্তমান পৃথিবীতে শিক্ষার বিকল্প কিছুই নেই। ইন্টারনেটের এই যুগে বিশ্ব আজ হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। শহরের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আর গ্রামের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। এসব সুযোগ শিক্ষার্থীদের অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।

বক্তারা বলেন, এই শিক্ষাবৃত্তি একজন শিক্ষার্থীর একবছরের শিক্ষার খরচ। যা না পেলে অনেকের শিক্ষাজীবন ঝুঁকির মুখে পড়ত। কেউ ঝরে যেত, কেউবা আবার কষ্টে-সৃষ্টে টিকে যেত। কিন্তু এই শিক্ষাবৃত্তি তাদের সব চিন্তা দূর করে দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের তাই উচিৎ সময়ের কাজ সময়ে করা। আন্তরিকতার সঙ্গে পড়াশোনা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে সমাজের ও দেশের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের ভূমিকা রাখতে হবে। আহমদুল হাসান মামুনের পরিচালনায় এসময় বক্তব্য দেন সালাম মকবুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃপাময় চন্দ্র চন্দ, সহকারী শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস সরদার। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাবাচ্ছুমা আক্তার বুশরা।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার