• বৃহস্পতিবার   ২১ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৮

  • || ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
সুনামগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে সম্প্রীতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেটে করোনায় শনাক্তের হার ০.৮৩ সিলেট থেকে স্পেনে গিয়েই স্বামীকে অচেতন করে স্ত্রীর চম্পট! মধ্যরাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে হঠাৎ তল্লাশি জুড়ীতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমুন্নত রাখতে সিলেটে সৌহার্দ্য বৈঠক

ভারতে কৃষক সংগঠনগুলোর ডাকে দেশজুড়ে ‘বনধ’

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১  

ভারতে তিনটি কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দেশজুড়ে ‘বনধ’ পালন করছে কৃষি সংগঠনগুলো। এসব আইন কৃষি খাতকে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণাধীন করে ফেলবে বলে অভিযোগ কৃষকদের।

কৃষি খাত উদারীকরণের লক্ষ্যে ওই আইনগুলো করার এক বছর পর সোমবার ফের দেশজুড়ে ‘বনধ’-এর ডাক দিয়েছেন তারা। খবর রয়টার্সের।

এই আইনের বিরোধিতা করে প্রায় লাখো কৃষক ১০ মাস ধরে রাজধানী দিল্লির আশপাশের প্রধান মহাসড়কগুলোতে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো থেকে জানা গেছে, ৪০টিরও বেশি কৃষি ইউনিয়নের জোট সংযুক্ত কৃষাণ মোর্চা (এসকেএম) স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৬টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত স্থায়ী এ বনধের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

তারা জাতীয় মহাসড়কগুলোর কিছু অংশে গাড়ি চলাচল করতে দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন। সোমবার সকালে দিল্লি-মিরাট এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ বন্ধ করে দেন তারা। কৃষকরা পাঞ্জাব ও হরিয়ানার মধ্যবর্তী শম্ভু সীমান্তও অবরোধ করে রেখেছেন।

এসকেএম জানিয়েছে— এদিন সারা দেশজুড়ে সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, দোকান, শিল্পকারখানা এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

তবে জরুরি পরিষেবা বনধের আওতার বাইরে থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা। পাঞ্জাবে রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি নভজোত সিং সিধু দলীয় কর্মীদের কৃষকদের প্রতিবাদে সমর্থন জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

উত্তরপ্রদেশের বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী জানিয়েছেন, তার দল শান্তিপূর্ণ ‘ভারত বনধ’-এ সমর্থন দেবে।

জাতীয় কংগ্রেস তাদের সব কর্মী, রাজ্য ইউনিটপ্রধানদের এবং অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলোর প্রধানদের ভারত বনধে অংশ নিতে বলেছে।      

চলতি মাসে ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশে একটি সমাবেশে পাঁচ লাখেরও বেশি কৃষক জমায়েত হয়েছিল। কৃষি আইনবিরোধী প্রতিবাদ শুরু হওয়ার পর এটিই এ ধরনের বৃহত্তম সমাবেশ ছিল।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে করা এই আইনগুলোতে ভারতের কৃষি খাতকে নিয়ন্ত্রণহীন করে সরকারনিয়ন্ত্রিত পাইকারি বাজারগুলোর বাইরে অন্যান্য ক্রেতাদের কাছে তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য কৃষকদের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু সরকারনিয়ন্ত্রিত পাইকারি বাজারগুলোতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের জন্য একটি সর্বনিম্ন মূল্যের নিশ্চয়তা পেতেন।

কৃষকরা বলছেন, এই পরিবর্তনের ফলে তারা বৃহৎ ব্যবসায়ীদের অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে গেছেন। অপরদিকে সরকার বলছে, এই সংস্কারের ফলে কৃষকদের সামনে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা পণ্যের উপযুক্ত মূল্য পাবেন।

ভারতের ১৩০ কোটি জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক কৃষির ওপর নির্ভরশীল এবং দেশটির ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান প্রায় ১৫ শতাংশ।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার