• রোববার   ২৫ জুলাই ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ৯ ১৪২৮

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

সর্বশেষ:
কোরবানির মাংস যেভাবে সংরক্ষণ করবেন সিলেটে রাস্তায় রাস্তায় পশুর হাট সিলেটে ২৪ ঘন্টায় করোনাক্রান্ত ৩৩৯, মৃত্যু ১১ সিলেটে পশুর হাট ‘গরম’, ক্রেতারা বিপাকে সিলেটবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সৌদিতে প্রথমবারের মতো হজে নিরাপত্তার দায়িত্ব পেল নারীরা

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২২ জুলাই ২০২১  

সৌদি আরবে তৈরি হলো নতুন ইতিহাস। চলতি বছরের হজে প্রথমবারের মতো পবিত্র কাবা ঘরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকা এবং মদিনায় মসজিদে নববীতে নারী সেনা নিয়োগ দিয়েছে সৌদি সরকার।

হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর গত এপ্রিলের প্রথম থেকেই হজ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নারী সেনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষিত ভিশন-২০৩০ ঘোষণার পর থেকে সৌদি আরব সংস্কারের দিকে এগুচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে, বিশেষ করে নারীদের কর্মক্ষেত্র প্রসার ঘটেছে ব্যাপকভাবে।

রক্ষণশীল সৌদি আরবে একসময় নারীদের কর্মক্ষেত্রে তেমন একটা দেখা যেত না। এর আগে সৌদি পুলিশে নারীরা যোগ দিলেও তা ছিল তুলনামূলক খুবই কম। বেসরকারি সেক্টরে নারীদের তেমন একটা দেখা যেত না। কিন্তু সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হাত ধরেই দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে সৌদি নারীরা।

সৌদি আরবের সর্বোচ্চ আইন পরিষদ মজলিসে শুরা কমিটি থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি সেক্টরে পুরুষের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন সৌদি নারীরা।

গত এপ্রিল থেকে মক্কা এবং মদিনায় নিরাপত্তার দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন একাধিক নারী। তেমনই একজন মোনা। সেনাবাহিনীর খাকি উর্দির সঙ্গে লম্বা জ্যাকেট পরে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে টহল দিয়েছেন সৌদি নারী সেনা মোনা। 

তিনি বলেন, আমার বাবাও সেনাবাহিনীতে ছিলেন। সেনাসদস্য হতে তিনিই আমাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। আমি তার পদাঙ্ক অনুসরণ করছি। হাজিদের সেবা করতে পারাটা খুবই মহৎ এবং সম্মানের কাজ।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংস্কার পরিকল্পনা ‘ভিশন ২০৩০’ অনুসারে নারীদের গাড়িচালনার ওপর থেকে এরই মধ্যে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের অনুমতি ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের বাইরে থাকার বিধিনিষেধও প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরিবারে নারীদের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।

অবশ্য অভিযোগ রয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগে টানতে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সৌদির নারী সমাজকর্মীসহ বিরুদ্ধমতের মুখ বন্ধ করার প্রয়াস থামেনি।

এসব সংস্কার এবং অভিযোগের মধ্যেই মোনার মতো কয়েকজন নারী নতুন ইতিহাস গড়লেন। তার মতো সামারও পবিত্র কাবা শরিফের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছেন। মনস্তত্ত্ব নিয়ে পড়াশোনার পর সেনাবাহিনীতে যোগ দেন সামার। আর তাতে পরিবারও উৎসাহ জুগিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সামারের কথায়, আমাদের কাছে এটা অনেক বড় সাফল্য। ধর্ম, দেশ এবং আল্লাহর অতিথিদের কাজে নিয়োজিত থাকতে পারার মতো গর্ব আর কোথাও নেই।

সূত্র: রয়টার্স

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার