• বৃহস্পতিবার   ২০ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৬ ১৪২৮

  • || ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
কুলাউড়া হাসপাতালের ৯ স্টাফ করোনায় আক্রান্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার করোনা আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে যা বলছেন শাবির শিক্ষক-শিক্ষিকা জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা ব্লিনকেনের শাবিঃ ‘টাকার ব্যাগ’ আর ‘পিস্তল’ রেখে উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা
১৫৩৫৬

একে একে পাঁচ ভাইকে বিয়ে তরুণীর, রাত কাটে ভিন্ন নিয়মে

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০২১  

তিনি যেন এক আধুনিক দ্রৌপদী। কারণ, মহাভারতের দ্রৌপদীর মতোই তিনিও বিয়ে করেছেন পাঁচ পুরুষকে। এই নারীর স্বামীরা আপন পাঁচ ভাই।
এমন খবর জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম ওড বাংলা। 

ওই নারীর নাম রাজো বর্মা (২১)। তিনি ভারতের উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন নিবাসী। রাজো একসঙ্গে এক বাড়িতেই থাকেন পাঁচ স্বামীকে নিয়ে। এক এক স্বামীর সঙ্গে এক এক রাতে মিলিত হন তিনি। ১৮ মাসের একটি ছেলেও রয়েছে রাজোর। কিন্তু সেই ছেলের প্রকৃত বাবা কে, তা জানেন না রাজো নিজেও।

কিন্তু পাঁচ ভাইকে একসঙ্গে বিয়ে করতে গেলেন কেন রাজো? 

জানা যায়, পাঁচ ভাইয়ের একজনের নাম গুড্ডু। গুড্ডুর সঙ্গে রাজোর বিয়ে হয় চার বছর আগে। উভয় পক্ষের বাবা-মার দেখাশোনার মাধ্যমে বিয়েটা হয়েছিল। বিয়ের পরে রাজো বুঝতে পারেন, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। রাজোর মনে জাগে আশঙ্কা, বিয়ের পর গুড্ডু বউকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন না তো, অবিবাহিত ভাইদের সঙ্গে তার ভ্রাতৃত্ব-বন্ধন শিথিল হয়ে যাবে না তো? 

তখনই রাজোর মনে আসে মহাভারতের দ্রৌপদীর কথা। রাজো সিদ্ধান্ত নেন, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য তিনি গুড্ডুর অন্য ভাইদেরও বিয়ে করবেন। এতে আপত্তি ছিল না গুড্ডুরও। ফলে একে একে বইজু, সন্ত রাম, গোপাল এবং দীনেশকেও বিয়ে করেন রাজো। এই পাঁচজনের মধ্যে বড় বইজু। বইজুর বয়স ৩২ বছর। সবার ছোট দীনেশ ১৯ বছর বয়সী।

স্ত্রীর শারীরিক অধিকার নিয়ে পরিবারে অশান্তি হয় কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে গুড্ডু বলেন, ‘আমাদের পরিবারে কোনো অশান্তি নেই। আমরা প্রত্যেকেই রাজোর সঙ্গে মিলিত হই, কিন্তু এই নিয়ে আমাদের কোনো যৌন ঈর্ষা বোধ হয় না।’

রাজো বলেন, ‘আমি আমার স্বামীদের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে রাত্রি যাপন করি। আমাদের ঘরে কোনো বিছানা নেই। মাটির উপর পুরু করে কম্বল পেতে আমরা শুয়ে পড়ি।’ 

পাঁচ স্বামীকে নিয়ে সমস্যা হয় না? এমন প্রশ্নে লাজুক হেসে রাজো উত্তর দেয়, ‘একটুও না। বরং অন্য বিবাহিত মেয়েদের থেকে অনেক বেশি ভালবাসা পাই আমি।’

রাজো আরো বলেন, ‘প্রথম প্রথম একটু অস্বস্তি হতো। এখন কিছু মনে হয় না। আমার পাঁচ স্বামীকেই একইরকম সুযোগ দেই আমি।’  

ভালোবাসার স্থান যে যৌন ঈর্ষা ও যৌন হিংসার অনেক উপরে, সে কথাই যেন প্রমাণ করছে রাজোদের পরিবার।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার