• মঙ্গলবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৮

  • || ০১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
চুনারুঘাটে ইউপি সদস্যের মৃত্যুতে বিমান প্রতিমন্ত্রীর শোক আদালত কর্তৃক সিলেট প্রেসক্লাবের ভোটার তালিকা ও নির্বাচন স্থগিত শাবিতে ১২তম জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেটে বসছে ‘এক্সেল লোড কন্ট্রোলার’ সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন মুজিববর্ষ উপলক্ষে সিসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জে ৫ হাজার কৃষক পেলেন সরকারি প্রণোদনা

‘রাসেল কেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অংশ হবে?’

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২১  

‘শেখ রাসেলের জন্মদিন’ (১৯ অক্টোবর) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীভৎস সেই দিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, বিভীষিকাময় সেই রাতের প্রতিটি ক্ষণ, প্রতিটি মুহূর্ত এখনো গভীর শোকের সঙ্গে স্মরণ করি। এখনো ভাবি, কারও বিরুদ্ধে শত্রুতা থাকতেই পারে, কিন্তু সেই ক্ষোভ একজন কোমলমতি শিশুকে কেন কেড়ে নেবে? এই শিশু কী দোষ করেছিল? সে তো কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। সে কেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অংশ হবে? এতসব স্মৃতি স্মরণ করতে কষ্ট হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, রাসেল আজ বেঁচে থাকলে কী করত এ ভাবনাটা আমাকে প্রায়ই ভাবায়। রাসেল যদি বেঁচে থাকত, তাহলে হয়তো একজন মহানুভব, দূরদর্শী ও আদর্শ নেতা আমরা পেতাম। যাকে নিয়ে দেশ ও জাতি গর্ব করতে পারত। আজ এত বছর পরও শেখ রাসেলকে জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে। কারণ রাসেল তার মহানুভবতা ও ব্যবহারে ছিল অমায়িক।

তিনি বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এর কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে আমি তাকে গভীর ভালোবাসা ও পরম মমতায় স্মরণ করি এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিশু রাসেলের জীবন সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের কাছে তুলে ধরতে প্রতি বছর তার জন্মদিনকে ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথমবারের মতো পালিত ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২১’-এর প্রতিপাদ্য ‘শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস’ যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।’

শেখ রাসেলের নামকরণ নিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অত্যন্ত প্রিয় লেখক ছিলেন খ্যাতনামা দার্শনিক ও নোবেলজয়ী লেখক বার্ট্রান্ড রাসেল। জাতির পিতা বার্ট্রান্ড রাসেলের বই পড়ে বঙ্গমাতাকে ব্যাখ্যা করে শোনাতেন। তাই বঙ্গবন্ধু আর বঙ্গমাতা দুজনে মিলে শখ করে তাদের আদরের ছোট ছেলের নাম রেখেছিলেন রাসেল। রাসেল নামটি শুনলেই প্রথমে যে ছবিটি সামনে আসে তা হলো হাস্যোজ্জ্বল, প্রাণচঞ্চল এক ছোট্ট শিশুর দুরন্ত শৈশব; যে শিশুর চোখগুলো হাসি-আনন্দে ভরপুর।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘এই কোমলমতি শিশু রাসেলকে আমরা হারিয়েছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ইতিহাসের এক নির্মম, জঘন্য ও বিভীষিকাময় রাতে। স্বাধীনতাবিরোধী, ষড়যন্ত্রকারী ও বিশ্বাস ঘাতকদের হাতে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের ১৮ জন সদস্য শহীদ হন ওই কালরাতে। সেদিন ছোট্ট শিশু রাসেলও খুনিদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। রাসেল তো বাঁচতে চেয়েছিল। বাঁচার জন্য ঘাতকদের কাছে আকুতি জানিয়েছিল, মায়ের কাছে যাওয়ার কথা বলেছিল। মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ঘাতকরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।’

‘শেখ রাসেল দিবস ২০২১’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার