• বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

  • || ১১ মুহররম ১৪৪৪

সর্বশেষ:
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু রচিত বই বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন সাকিবকে নোটিশ পাঠাল বিসিবি সিলেটের শ্রেষ্ঠ এএসআই মোহাম্মদ অলিউল হাসান
৩২

বন্যার পানি নামছে, আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়ছেন মানুষ

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০২২  

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় গত এক সপ্তাহ ধরে ভারি বৃষ্টি না হওয়ায় বন্যার পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। 


এই সাত দিন আকাশে হালকা রোদের দেখা মিলেছে। তবে কোথাও কোথাও হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। 

এ উপজেলায় ৬৩ আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ১৫ হাজার বন্যাকবলিত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। বর্তমানে উপজেলায় ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে, তাতে প্রায় এক হাজার বন্যাকবলিত মানুষ আছেন। অন্যরা সবাই বাড়িতে চলে গেছেন। 

এখনো বন্যার পানি রাস্তাঘাট ও অনেকের বাড়ির উঠানে থাকলেও ঘর থেকে পানি নেমে গেছে। তাই তারা আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়িতে চলে যাচ্ছেন।

আবার বন্যার স্রোতে অনেকের বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ায় কোথায় গিয়ে উঠবেন এমন চিন্তায় তারা আশ্রয়কেন্দ্রেই রয়েছেন।

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে উব্দাখালী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্টে এখনো বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। 

এই উপজেলায় গত ১৬ জুন রাত থেকে বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত উপজেলার বেশিরভাগ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। তা ছাড়া প্রায় ১০০ জন গ্রাহকের পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ বন্ধ রয়েছে। বন্ধ আছে ২১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মানুষের সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রে আছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ গবাদিপশু।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার আটটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়িঘরে এখনো বন্যার পানি রয়েছে। তাই এখনি বন্যাকবলিত সব মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরতে পারছে না। তবে যাদের বাড়ি থেকে পানি নেমে গেছে, তারা আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। 

সদরের বেশিরভাগ রাস্তাঘাট এখনো প্লাবিত। এসব সড়কের কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমরসমান পানি। এসব এলাকায় নৌকা ছাড়া চলাচল করা যাচ্ছে না। 

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুল হাসেম যুগান্তরকে বলেন, পানি কিছুটা কমলেও অনেকের বাড়িঘরে এখনো পানি রয়েছে। তাই আশ্রয়কেন্দ্রে এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ রয়েছে। অন্যদের বাড়ি থেকে পানি নেমে যাওয়ায় তারা বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় শুকনো খাবার ও খিচুড়ি রান্না করে বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার