• বৃহস্পতিবার   ২০ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৬ ১৪২৮

  • || ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
কুলাউড়া হাসপাতালের ৯ স্টাফ করোনায় আক্রান্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার করোনা আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে যা বলছেন শাবির শিক্ষক-শিক্ষিকা জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা ব্লিনকেনের শাবিঃ ‘টাকার ব্যাগ’ আর ‘পিস্তল’ রেখে উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা
১৭

মিতু-বাবুলের ২ সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে চায় পিবিআই

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২২  

মাহমুদা আক্তার মিতু ও তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের দুই সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে চায় তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বাবুল আক্তারকেও জিজ্ঞাসাবাদের চিন্তাভাবনা করছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান, দুই সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে ইতোমধ্যে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি আগামী রবিবার আবেদনের বিষয়ে শুনানি হবে। এরপর হয়তো আদালতের সিদ্ধান্ত জানতে পারবো।

২০১৬ সালের জুনে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় নগরের পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেছিলেন। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই মামলায় গ্রেফতারের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক।

গত ৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল হালিমের আদালত এই আদেশ মঞ্জুর করেন। এরপর নিজের করা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বাবুল আক্তার।

এর আগে মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় তার বাবা মোশাররফ হোসেনের করা হত্যা মামলায় বাবুলকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। এই মামলায় গ্রেফতারের পর বাবুল আক্তার এখন কারাগারে। ২০২১ সালের ১১ মে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মিতু হত্যার ঘটনায় বাবুল আক্তার যে মামলাটি দায়ের করেছিলেন, সেটির তদন্ত শেষ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছিল পিবিআই। কিন্তু আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদন না নিয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। মিতুর বাবার করা মামলাটিও তদন্ত করছে পিবিআই।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন তিনি। 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার