• মঙ্গলবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৬ ১৪২৭

  • || ০৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
বিজয়ী হয়েই পোস্টার সরালেন কমলগঞ্জের মেয়র ছাতকে জামানত হারিয়েছেন ১১জন কাউন্সিলর প্রার্থী বানিয়াচংয়ে পুলিশ সুপারের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ইটের সাইজ ছোট দেয়ায় ৫টি ইটভাটাকে লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শাবির ‘টিম-১৯১’ অর্জন করলো সিলভার র‌্যাংক

হোয়াটসঅ্যাপে এক দিনেই ১৪০ কোটি কল

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৪ জানুয়ারি ২০২১  

চলমান মহামারিতে বিশ্বের অনেক মানুষ এখন সামাজিক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পারস্পরিক যোগাযোগ রাখছেন। বিদায়ী বছরের শেষ দিনে তা আরও জোরদার ছিল। ওই দিন অডিও ও ভিডিও কলের ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়েছে ফেসবুক। 

তাদের মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ প্ল্যাটফর্মে এক দিনে সর্বোচ্চ অডিও ও ভিডিও কলের রেকর্ড হয়েছে। শুধু হোয়াটসঅ্যাপেই ১৪০ কোটি ভয়েস ও ভিডিও কল হয়েছে ওই দিনটিতে।

হোয়াটসঅ্যাপে বিশ্বজুড়ে ১৪০ কোটি ভয়েস ও ভিডিও কল করা হয় বিদায়ী বছরের শেষ দিন, যা হোয়াটসঅ্যাপে এক দিনে কলের রেকর্ড।
ফেসবুকের নিউজরুমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপে বিশ্বজুড়ে ১৪০ কোটি ভয়েস ও ভিডিও কল করা হয় বিদায়ী বছরের শেষ দিন, যা হোয়াটসঅ্যাপে এক দিনে কলের রেকর্ড। গত বছরের একই দিনের তুলনায় হোয়াটসঅ্যাপে কল করার হার বেড়েছে ৫০ শতাংশ।

ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী, এদিন অনেকেই মেসেঞ্জারে ইফেক্টস ব্যবহার করেছেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে ‘২০২০ ফায়ারওয়ার্কস’ এআর ইফেক্টস।

ফেসবুক তাদের নিউজরুমে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছে, বিদায়ী বছরের শেষ দিনটিতে মেসেঞ্জার ভিডিও কলের ক্ষেত্রেও বড় প্রভাব ফেলেছে। এদিন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রুপ ভিডিও কল (তিনজনের বেশি) দ্বিগুণ হয়েছে।

নতুন বছর উদ্‌যাপন উপলক্ষে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে বিশ্বব্যাপী লাইভ বা সরাসরি সম্প্রচার করেছেন সাড়ে ৫ কোটি ব্যবহারকারী।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার বাড়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ একটি ট্রেন্ড তুলে ধরছে। এখন এ ধরনের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে মানুষ আরও বেশি সংযুক্ত থাকার অভ্যাস গড়ে তুলছে বলে তা আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। ভিডিওতে সংযুক্ত থাকার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠার কারণে ভবিষ্যতে তা কাজের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আগে থেকেই পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছেন, ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা বাড়ি বসে কাজের বিষয়টি অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রহণ করতে শুরু করবে। এতে তাদের পরিচালন খরচ যেমন কমে তেমনি উৎপাদনশীলতাও বাড়ে। তথ্যসূত্র: সোশ্যাল মিডিয়া টুডে

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার