বুধবার   ১১ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৬ ১৪২৬   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোয়াইনঘাট-জৈন্তাপুরে ফসলের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে দলে এখনো ‘মোশতাকদের’ পদচারণ রয়েছে: এম এ মান্নান সিলেটে বাল্যবিবাহ শূন্যের কোটায় নামাতে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জে কোটি কোটি টাকার কাজে অনিয়ম পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত পুলিশ সদস্য  ওলি-গলিতে গড়ে উঠেছে ভাঙ্গারী ব্যবসা, বাড়ছে চুরি সাতছড়ি উদ্যানে ফটোগ্রাফিক সোসাইটির বৃক্ষরোপন অভিযান
২৬১

সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন হবে: ওবায়দুল কাদের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর ২০১৯  

যত চাপ থাকুক সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

তিনি বলেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন প্রয়োগে কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি না হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আইন বাস্তবায়নে এরইমধ্যে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম শুরু করেছে।

সোমবার সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নতুন আইনে জরিমানা আদায় করা মুখ্য উদ্দেশ্য নয়, সরকার চায় সবাই আইন মেনে চলুক। নতুন সড়ক পরিবহন আইনের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই প্রধান উদ্দেশ্য।

সেতুমন্ত্রী বলেন, গতকাল থেকে মাঠ পর্যায়ে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কার্যকর হয়েছে। এ কার্যকর গত ১ নভেম্বরই হয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ে এটি বাস্তবায়নে দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছি। আইনটি কার্যকরে অনেকেই আরো বেশি সময় চেয়েছিলেন, কিন্তু আমি তাতে রাজি হয়নি। প্রধানমন্ত্রীও আইনটির বাস্তবায়ন চান। তাই আইনটি কার্যকর করতে শুরু করেছি।

তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে আইনটি সহনীয় পর্যায়ে কার্যকর করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেও এ আইনে শাস্তি দেয়া যাবে-এ বিষয়ে গতকাল একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। আইনটির বিধিমালা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

বিধিমালা প্রণয়ন বিলম্বের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি নিজেও অসুস্থ ছিলাম। সবকিছু মিলে এটি প্রণয়নে দেরি হয়েছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যেই এটি প্রণয়ন হয়ে যাবে।

কাদের বলেন, সড়ক পরিবহন আইনটি স্বাভাবিক কারণেই আগের তুলনায় কঠোর করা হয়েছে। কঠোর করার উদ্দেশ্য শাস্তি দেয়া নয়, সবার কল্যাণ ও সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। এ আইনে ট্রাফিকের নিরাপত্তার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষ করে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এ আইনটির বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তোলার আহ্বান জানান তিনি। 

তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী যাতে এটি কার্যকরে অযথা কোনো হয়রানি বা বাড়াবাড়ি না করে সেজন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করেছি, যাতে কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি না হয়।

তিনি বলেন, সড়ক নিরাপদ ও দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। এটাতে সমাজের বিভিন্ন অংশীজনকে এগিয়ে আসতে হবে।

আইন যখন কার্যকর শুরু হয়েছে তখন পরিবহন মালিকরা বড় ধরনের আন্দোলনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার কাছে এ খবর আছে। এ বিষয়ে আমাদের সচিবও তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাই বলে আমরা আইন প্রয়োগ না করে এ থেকে সরে যাব, এটা হয় না। যত চাপ থাকুক সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন হবে।

হালকা লাইসেন্স দিয়ে ভারী গাড়ি চালানো হচ্ছে-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এখন তো বিআরটিএতে (লাইসেন্স নেয়ার জন্য) হিড়িক পড়ে গেছে। বিআরটিএ কর্মচারী-কর্মকর্তারা অতিরিক্ত সময় কাজ করছে। লোকজনও বাড়ানো হচ্ছে, তারপরও এটা একটা চ্যালেঞ্জ। সবাই সহযোগিতা করলে আমরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর