• রোববার   ০৭ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২৩ ১৪২৭

  • || ১৫ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু হবিগঞ্জ করোনা আতঙ্ক: ফুটপাতের খাবারের ব্যবসায় মন্দা বাংলাদেশি সেনাদের নিয়ে গর্ব করা উচিত: অ্যান্তোনিও গুতেরেস জুড়ীতে আরও ২ জনের করোনা শনাক্ত লোভাছড়ায় রাতের আঁধারে পাথর বহন, রাজস্ব ফাঁকি বড়লেখায় করোনায় আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউন করলো প্রশাসন স্ত্রীর পর সাবেক মেয়র কামরানও করোনায় আক্রান্ত
২৪৯

সিলেটে আরো কঠোর হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী 

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০২০  

সিলেটে সবাইকে ঘরমুখী করতে এবার আরো কঠোর হচ্ছে আইনশঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবারও নগরীর বিভিন্ন স্থানে কঠোর অবস্থানে থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধির ঘোষণায় মানুষকে গৃহবন্দী রাখতে আরো কঠোর হবার ইঙ্গিত প্রকাশ করা হয়েছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রশমনে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে অনুরোধ করা হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার পর কেউ বাড়ির বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় চলাচল কঠোরভাবে সীমিত থাকবে।

১০ এপ্রিল ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে চতুর্থ দফায় ছুটি বাড়ানো হলো। প্রজ্ঞাপনে ঘোষিত সাপ্তাহিক ছুটি ও সাধারণ ছুটির ধারাবাহিকতায় আগামী ১৫ ও ১৬ এপ্রিল এবং ১৯ থেকে ২৩ এপ্রিল ২০২০ পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সাধারণ ছুটির সঙ্গে ১৭ ও ১৮ এপ্রিল এবং ২৪ ও ২৫ এপ্রিলের সাপ্তাহিক ছুটিও যোগ হবে।
 
এই ছুটি সাধারণ ছুটির মতো বিবেচিত হবে না উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে কয়েকটি শর্ত দিয়ে সেগুলো কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রশমনে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে অনুরোধ করা হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার পর কেউ বাড়ির বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় চলাচল কঠোরভাবে সীমিত থাকবে। আর বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে।

ছুটির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জরুরি সেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্পপণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এই ছুটির মধ্যে পড়বে না। জরুরি প্রয়োজনে অফিসগুলো খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা চালু রাখা যাবে। আর বিরাজমান পরিস্থিতি উন্নতি হলে মানুষের জীবন-জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। এ ছাড়া মানুষের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে নির্দেশনা দেবে।

করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফা বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এখন চতুর্থ দফায় ছুটি বাড়ল।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
সিলেট বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর