শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

৩১২

সিরিজ জিতলো টাইগাররা

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  

সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচে উইন্ডিজের বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেটের জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে শাই হোপসের শতকের কাছে হার। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে সফরকারীদের কোনো পাত্তাই দিল না তারা। বোলারদের দারুণ বোলিংয়ের পর ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বপূর্ণ ব্যাটিংয়ে ৬৯ বল বাকি থাকতেই ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে মাশরাফিবাহিনী। এর ফলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মাশরাফি। দলপতির সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণে সময় নেননি বোলাররা। শুরু থেকেই চেপে ধরেন মিরাজ। তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ধুঁকতে থাকে সফরকারীরা। মিরাজ ১০ ওভারে ২৯ রানে এক মেডেনসহ চার উইকেট নেন। এছাড়া সাকিব ও মাশরাফি দুই উইকেট করে নেন। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান সংগ্রহ করে উইন্ডিজ। মুস্তাফিজ কোনো উইকেট না পেলেও কিপ্টে বোলিং করে চাপ তৈরি করেন।

সফরকারী ব্যাটসম্যানদের যাওয়া আসার মিছিলের মধ্যেও ব্যতিক্রম ছিলেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান শাই হোপ। সিরিজের শেষ ওয়ানডেতেও তুলে নিয়েছেন চলতি সিরিজে নিজের দ্বিতীয় শতক। তার অপরাজিত ১০৮ রানের উপর ভর করে মাঝারি সংগ্রহ গড়ে উইন্ডিজ।

১৯৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমেও দাপট দেখায় বাংলাদেশ। তামিম-লিটনের ওপেনিং জুটি ভাঙে ৪৫ রানে। তবে বিপদ ঘটতে দেননি সৌম্য ও তামিম।এশিয়া কাপে হাতের ইনজুরিতে প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে কাটালেও ব্যাটে যে মরচে পড়েনি তা ঠিকই বোঝালেন তামিম। প্রস্তুতি ম্যাচে শতকের পর প্রথম ওয়ানডেতে রান পাননি। কিন্তু সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে ঠিকই নিজের অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন। ৬২ বলে ৬ চারে ক্যারিয়ারের ৪৪ তম অর্ধশতক তুলে নেন দেশসেরা ওপেনার।

তামিমের পর সৌম্য সরকারও তুলে নেন ক্যারিয়ারের সপ্তম অর্ধশতক। সম্প্রতি তিন নাম্বারের ব্যাটিংয়ে তিনি যে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন তা প্রমাণ করে চলেছেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে শতকের পর তৃতীয় ওয়ানডেতেও শতক হাঁকান। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচেও শতক হাঁকান এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান। তবু নিজের সেরা পজিশন পাচ্ছিলেন না দলে।

আগের দুই ম্যাচে সাত নাম্বারে ব্যাটিং নামানোর পর রান পাননি। কিন্তু সিরিজের শেষ ম্যাচে তিন নাম্বারে নামাতেই তুলে নেন অর্ধশতক। এরপরই টানা দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে আক্রমণাত্মক চরিত্রটিকে প্রকাশ করতে শুরু করেন সৌম্য। ৫ চার ও ৫ ছক্কায় ৮০ রানেই ঝড় থামান কিমো পল। স্ট্যাম্পের বলকে ক্রস ব্যাটে খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।

এর আগে অফ সাইডের অনেক বাইরের একটি বল লেগে টেনে খেলতে যান লিটন। ফলাফল কিমো পলের বলে পাওয়েলের হাতে ক্যাচ। লিটন ফিরেছেন ব্যক্তিগত ২৩ রানে।

পরে অবশ্য বিপদ ঘটতে দেননি অভিজ্ঞ ওপেনার তামিম ইকবাল ও ফর্মে থাকা সৌম্য সরকার। জয়ের একেবারে কাছাকাছি সময়ে সৌম্য আউট হলেও মুশফিককে নিয়ে বাকি কাজ শেষ করেন তামিম। তামিম অপরাজিত থাকেন ৭৭ রানে। মুশফিকের করেন অপরাজিত ১৬ রান।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর