সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৮ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

সর্বশেষ:
শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসে বাংলাদেশের বলিষ্ঠ সাফল্য অর্জন: হু আবুধাবিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর বেড়াতে গিয়ে লাশ হলেন ইমনুর হাওরাঞ্চলে যন্ত্রনির্ভর ধানচাষের লক্ষ্য সরকারের কমবে উৎপাদন ব্যয় দলের ভাবমূর্তি উদ্ধারে পরগাছা দূর করা হবে: কাদের
৬৯৯

‘শেখ হাসিনা যেখানে হাত দিয়েছেন সোনা ফলেছে’

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০১৮  

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, সাবেক রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, শেখ হাসিনা যেখানে হাত দিয়েছেন আল্লাহর রহমতে সেখানে সফল হয়েছে, সেখানেই সোনা ফলেছে। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। সার্বিক ক্ষেত্রে বিগত দশ বছরে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়েছে।

শুক্রবার দিনব্যাপি সিলেট নগরী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ড. মোমেন শুক্রবার সকালে নগরীর হাফিজ কমপ্লেক্সে সনাতন ধর্মবলাম্বী বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, সিলেটের সাংস্কৃতিক কর্মীদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময়, বেলা ২টায় সিলেট সদর উপজেলার বাদাঘাটে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাথে পৃথক মতবিনিময়, বিকেল ৪টায় কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে স্থানীয় মহিলাদের সাথে মতবিনিময়, বিকেল ৫টায় হাফিজ কমপ্লেক্সে ওয়ার্কার্স পার্টি সিলেটের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়, সন্ধ্যা ৭টায় সিলেট মহানগরীর ৭নং ওয়ার্ডবাসীর সাথে মতবিনিময় ও রাত ৯টায় নগরীর ৫নং ওয়ার্ডবাসীর সাথে মতবিনিময় করেন।

শেখ হাসিনার ক্যারিশমাটিক নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। যার কৃতিত্বের দাবিদার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। শেখ হাসিনা দেখিয়ে দিয়েছেন আমরা কিভাবে সোনার বাংলা গড়তে পারবো। আমাদের রূপরেখা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পৌঁছানো। ইতোমধ্যে তলাবিহীন ঝুঁড়ির দেশ থেকে বাংলাদেশ এখন মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারলে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানেই সফল হয়েছেন। স্বাধীনতা পরবর্তী ৩৮বছরে বাংলাদেশে ৩২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গত ১০ বছরে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। যা আগের তুলনায় ৬গুণ।

অধ্যাপক ড. মোমেন বলেন, আমরা সবসময় নিজেদের দরিদ্র দেশ হিসেবে দেখেছি। খাদ্যের অভাবে কত কষ্ট করেছি। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে মঙ্গার কারণে কত লোক মারা গেছে। বিশ্ববাসী বাংলাদেশকে দারিদ্র-বিখারীর দেশ হিসেবে চিনতো। কিন্তু এখন আমরা মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত হতে চলেছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়ন শুধু আমরা বলি না, সারা বিশ্ব স্বীকার করে। আগে বলতো তলাবিহীন ঝুঁড়ি এখন বলে বাংলাদেশ অর্থনীতির জন্য মডেল।

ড. মোমেন বলেন, আপনাদের ভোটে শেখ হাসিনা ও সিলেট-১ আসনে আবুল মাল আবদুল মুহিত নির্বাচিত হওয়ায় গত ১০বছরে সিলেটসহ সারাদেশে এসব উন্নয়ন সফল হয়েছে। আপনারা আমার ভাইকে সেবা করার সুযোগ দিয়েছিলেন। ড. মোমেন সকলের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন এবং নির্বাচিত হলে স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

পৃথক পৃথক এসব সভায় বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কমরেড সিকান্দর আলী, জেলা আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাজনীন হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত পুরকায়স্ত, জেলা পরিষদের সদস্য রওশন জেবিন রুবা, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা জুবের খান, সিটি কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খান, সিলেট উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, বাংলাদেশ সনাতন কল্যাণ সোসাইটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে ডা. বনদীপ লাল দাস, ডা. পান্না লাল ধর, প্রদীপ দেব, ডা. প্রদীপ চন্দ্র নাথ, সিনিয়র সাংবাদিক আল আজাদ, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সাধারণ রজত কান্তি গুপ্ত, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক আলম খান মুক্তি প্রমুখ।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর