• রোববার   ১৮ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৫ ১৪২৮

  • || ০৫ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
শ্রীমঙ্গলে কঠোরভাবে লকডাউন কার্যকর করতে পুলিশের চেকপোস্ট করোনা: সিলেটে ২৪ ঘন্টায় ২ জনের মৃত্যু করোনা: স্থান সঙ্কুলান হচ্ছে না শামসুদ্দিন হাসপাতালে করোনায় এক দিনে আবারও শতাধিক মৃত্যু জগন্নাথপুরে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় প্রেমিকের আত্মহত্যা! বনানীর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলো কবরী

রমজানের সদাইপাতি কেনার আগের কাজ

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২ এপ্রিল ২০২১  

বছর ঘুরে আবারো আসছে পবিত্র মাহে রমজান। এরই মধ্যে শুরু হলো রমজানের প্রস্তুতির নেয়ার তোড়জোড়। কারণ এ মাসে খাবারদাবারের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হয়। প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতায় রোজা রাখার পাশাপাশি সুস্থও থাকতে হবে। তাই পুষ্টিকর পরিমিত খাবারের সঙ্গে যথেষ্ট পানীয় চাই; বৈশাখে রোজা বলে কথা!

রমজানের জন্য একটি সুপরিকল্পিত বাজার আপনাকে রাখতে পারে অনেকটাই নির্ঝঞ্ঝাট ও চিন্তামুক্ত। তাই পরিবারের সবাই মিলে একদিন বসে যেতে পারেন রমজানের সদাইপাতির তালিকা প্রস্তত করতে। আমরাও আপনার পরিবারের একজন হয়ে থাকছি আপনাদের সঙ্গেই।

রমজানের সদাইপাতির জন্য যেসব বিষয় মাথায় রাখা উচিত—

* অতীত অভিজ্ঞতা বলে, রমজানের শুরু হবার আগেই দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যায়। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাজারের ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। কিছুটা হলেও দ্রব্যমূল্যকে পেছনে ফেলতে পারবেন!

* কোনো এক ছুটিরদিনে পরিবারের সবাই মিলে আলোচনায় বসে যান। ছোটদেরও বাদ দেবেন না। সবার ইচ্ছে ও চাহিদা অনুসারে কী কেনা সম্ভব, সেই তালিকা করতে পারেন।

* কিছু জিনিস প্রথাগত বাজার থেকে কিনলে সুবিধা, আবার কিছু জিনিস সুপারশপ থেকে নিলেই লাভ। এখন অনলাইন মার্কেটপ্লেস বা শপগুলাতেও বেশ সুবিধা পাওয়া যায়—দামে ও সময়ে। যেহেতু একবারে অনেক বাজার করবেন, তাই একটু বাজারযাচাই করতে পারেন। তাতে সময়, শ্রম ও টাকা—সব দিকেই সাশ্রয় হবে।

* পরিবারের সদস্য অনুপাতে মুদি বাজারের পরিমাণ ঠিক করুন। খুচরো মেহমান ও দাওয়াতের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

* ছোটদের কাছে জেনে দিন তারা কী খেতে যায়। অনেক বাচ্চারাই ফল খেতে চায় না। এই সুযোগে তাদের তাজা ফল ও ফলের রস খেতে উৎসাহিত করতে পারেন। বাজারের প্যাকেটজাত পানীয় পারতপক্ষে না কেনাই ভালো। কিনলেও উপাদান দেখে কিনবেন।

* ইফতারির পানীয় হিসেবে প্যাকেটজাত তরল বা গুড়া পানীয়র বদলে লেবুর শরবত, বেলের শরবত, বাংগির শরবত বা তরমুজের শরবত খান। সাদা চিনির বদলে বাদামি চিনি বা গ্লুকোজ ব্যবহার করুন মিষ্টত্ব বাড়াতে।

* রান্না ও ভাজাভুজির জন্য কম ও স্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করুন। দাম কিছুটা বেশি হলেও নানা রোগ থেকে বেঁচে থাকতে পারবেন।

* মুদি সদাই কিনেই ভাগ করে ফেলুন। যেগুলো তৎনগদ সংরক্ষণ করার, সেগুলো পরিমাণ অনুযায়ী কৌটায়/বয়ামে ঢুকিয়ে রাখুন। ছোলা, ডাবলি, ডাল জাতীয় পণ্য ঝেড়ে, বেছে, রোদে দিয়ে ঠাণ্ডা করে তারপর সংরক্ষণ করুন। পোকামাকড় থাকলেও চলে যাবে ও টাটকা থাকবে।

* গুঁড়া জাতীয় পণ্য (যেমন - বেসন, চালের গুড়া, দুধ ইত্যাদি) সবসময় বায়ুনিরোধক কৌটায় সংরক্ষন করুন। এছাড়া নিত্য ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক ছোট কৌটায় রাখুন।

* কাঁচাবাজার একবারে বেশিও করা যায় না, আবার কম করে কিনলেও সাশ্রয় হয় না। তবে কিছু পন্থা অবলম্বন করলে কয়েকপদের কাঁচা বাজার বেশি করে কিনে ঝামেলামুক্ত থাকতে পারেন। যেমন টমেটো কিনে পিউরি বানিয়ে আইস কিউব ট্রেতে করে জমিয়ে রাখুন। পরে অন্য পাত্রে একসঙ্গে ডীপ ফ্রিজে রাখতে পারেন। ছোলা রান্নায় দুই/তিনটা টমেটু কিউব মিশিয়ে দিন। স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যাবে।

* প্যাকেটজাত জিনিস কেনার সময় অবশ্যই মেয়াদ দেখে কিনবেন। কিছু জিনিসের উপাদানও দেখে নিবেন। স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর উপাদান থাকলে সেগুলো কেনা থেকে বিরত থাকুন। যেমন- টেস্টিং সল্ট।

* ঢেঁকিছাঁটা লাল চিড়া ও লাল মুড়ি কিনুন। দাম সামান্য একটু বেশি হলেও স্বাস্থ্যকর খাবার খান। স্বাদের তফাৎটাও বুঝতে পারবেন।

* প্লাস্টিকের পণ্য যেহেতু ক্ষতিকর; তাই রান্নার প্রস্তুতির জন্য কাঁচের, স্টিলের, মাটির বা কাঠের জিনিস ব্যবহার করুন। প্লাস্টিকের বাসনপত্র বাদ দিয়ে প্র‍য়োজনে এই উপাদানের নতুন কিছু কিনে নিন।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার