সোমবার   ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯   পৌষ ২ ১৪২৬   ১৮ রবিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা সুনামগঞ্জে বাণিজ্য মেলার প্রবেশ টিকেট নিয়ে লটারি ব্যবসা! শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বিজয় দিবসের জন্য ইউএনওর ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি
১৩০

যে ওষুধ ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 


কিছু হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই কিনে আনি অ্যান্টিবায়োটিক। তরুণদের মধ্যে এ প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। আর এতেই ডেকে আনছেন বিপদ। তারা একবারো ভাবেন না, এর পরিণতি কত ভয়ঙ্কর হতে পারে! যখন-তখন কিছু হলেই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে রয়েছে মৃত্যুর ঝুঁকি। সাবধান হওয়ার এখনই সময়। 


জ্বর, সর্দি, কাশি, পেটখারাপ, মাথা ব্যথা, পিঠে ব্যথা বা গলা ব্যথার মতো সমস্যায় গুরুত্ব দেন না অনেকেই। এমন সাধারণ উপসর্গে তারা চিকিৎসকের কাছে যান না। যান ওষুধের দোকানে। 


অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খেয়ে নেন। অনেকে আবার গুগল সার্চ দিয়ে দেখে নেন কোন রোগের কী ওষুধ। ৩৫ বছরের নিচে ৪০ শতাংশ রোগী এমন কাজ করে থাকেন।

 
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা এসব করছেন, ভবিষ্যতে তাদের শরীরে আর অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করবে না। অথচ যারা অ্যান্টিবায়োটিক খেতে শুরু করেন, তারা জানেন না যে, অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াই তার অসুখ ভালো হতে পারতো। সামান্য হাঁচি-কাশিতেও মুড়ির মতো অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে ঘনিয়ে আসে বিপদ।


চিকিৎসকদের দাবি, এতে শরীরের ভেতরের জীবাণুগুলো চরিত্র বদলাতে থাকে। তারা অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি অর্জন করে। একসময় অ্যান্টিবায়োটিক খেলেও আর জীবাণুগুলো মারা যায় না। ফলে অকালেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একেই বলা হয় ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’।


অথচ প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না করার জন্য আইনও রয়েছে। না মানলে রয়েছে শাস্তির বিধান। কিন্তু দেখার কেউ নেই।  

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার