• বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৭

  • || ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
করোনামুক্ত পরিকল্পনামন্ত্রী রায়হান হত্যা: নতুন কর্মসূচি দিলো এলাকাবাসী মুজিবনগরকে দৃষ্টিনন্দন করতে ৫৪০ কোটি টাকার প্রকল্প জগন্নাথপুরে দুদিন ব্যাপী ই-নথি প্রশিক্ষণ শুরু সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসছে নভেম্বরে তাহিরপুর সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক- ১

মেসির এখন গোলের নেশা কম পায়

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২০  

ফুটবল গোলের খেলা। এই গোল আবার তারকা বিচারের অন্যতম মানদণ্ড। খুব কম সময়ই এর ব্যত্যয় ঘটে থাকে। লিওনেল মেসি-ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিতর্কে তাঁদের গোলসংখ্যা নিয়েই কথা হয় বেশি। দুজনের গোলের প্রতিযোগিতাও নতুন কিছু না। 

এ মৌসুমে মেসি এগিয়ে, তো পরের মৌসুমে রোনালদো—গত এক দশক ধরে এটাই মোটামুটি পরিচিত দৃশ্য। ব্যতিক্রম দেখা গেছে খুব কমই। তবে এই প্রতিযোগিতায় ইদানীং ভাটা নামতে পারে। কারণ মেসির নাকি এখন গোল করার নেশা খুব একটা পেয়ে বসে না। গোল করার চেয়ে করানোতেই এখন বেশি আগ্রহ আর্জেন্টিনা তারকার।

মেসি সোজাসাপ্টা বলেছেন, ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে ‘গোলের প্রতি কম আকর্ষণ’ তিনি কম বোধ করেন। এর থেকে দলের জন্য খেলাকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। অবশ্য গোল করার কাজটিও তো দলের জন্যই। এ ভূমিকায় মৌসুমের পর মৌসুম দেখা গেছে মেসিকে। এখন ভূমিকা পাল্টে তিনি থাকতে চাচ্ছেন গোল করার পেছনের কারিগর হিসেবে—গোলের উৎস হওয়া, গোল বানানো আর কি। ৩৩ বছর বয়সী মেসি এর মধ্যেই বার্সার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৭৩৪ ম্যাচে করেছেন ৬৩৫ গোল। বার্সার মূল দলে ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে গোল বানিয়েছেন ২৫৬টি।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিন্তু মেসির ভূমিকা পাল্টে যাচ্ছে। গত মৌসুমের কথাই ধরুন। লা লিগার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ‘অ্যাসিস্ট’-এর রেকর্ড গড়েন তিনি। ২১টি গোল করিয়েছেন সতীর্থদের দিয়ে। এই ভূমিকা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন আর্জেন্টিনার মাসিক সাময়িকী ‘গারগান্তা পোদেরসা’র সঙ্গে, ‘এখন গোলের নেশা কমেছে। দলগত খেলায় যতটা সম্ভব অবদান রাখার চেষ্টা করি।’

আর্জেন্টাইন তারকা মাঠের বাইরের একটি বিষয়ে সাম্প্রতিক মাসগুলোয় দারুণ অবদান রাখছেন। করোনাভাইরাসের বিপক্ষে লড়ছে তাঁর দেশ। মেসি বেশ আগে থেকেই কাঁধ মিলিয়েছেন এ লড়াইয়ে। যতটা সম্ভব বেশি অবদান রাখার চেষ্টা করছেন তিনি, ‘মহামারির এ সময়ে আমাদের মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি যেমন পানি, খাবার ও বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে হবে।’ এ বছরের শুরুতে করোনার বিপক্ষে লড়াইয়ে ১ মিলিয়ন ইউরো দান করেন মেসি। বার্সেলোনার হাসপাতাল এবং আর্জেন্টিনায় চিকিৎসাসেবায় ব্যয় করা হয়েছে এ অর্থ।

করোনার এই কঠিন সময়ে আর্জেন্টিনার মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ে যাওয়ায় গর্ব অনুভব করেন বার্সা তারকা। মেসি মনে করেন, ‘বৈষম্যই সমাজের সবচেয়ে বড় সমস্যা। এই বৈষম্য নিরসনে সবার একসঙ্গে কাজ করা উচিত।’ এ মৌসুমে বার্সা শিরোপা জিতলে তা কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়া মানুষদের প্রতি উৎসর্গ করতে চান মেসি, ‘এ বছর জেতা শিরোপাগুলো সেসব মানুষদের প্রতি উৎসর্গ করা উচিত, যারা কোনো না কোনোভাবে এর (করোনার বিরুদ্ধে লড়াই) সঙ্গে জড়িত।’

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার