শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১২ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
সিলেটে আজ যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না বাঁচা-মরার লড়াইয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
৩৩

বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের আদালত অবমাননা: বিচারের দাবি

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর ২০১৯  

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে খালেদার স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দাখিল না করা নিয়ে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের হৈ-চৈয়ের ফলে আদালত অবমাননা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গত ৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার খালেদার জামিন শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের উত্তর হলে সাংবাদিকদের সামনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘তারা (বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা) নজিরবিহীন হট্টগোল করেছেন। তাদের বিশৃঙ্খলার জন্য আদালত আজ উঠে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তারা আদালতের কার্যক্রম ঠিকমতো চালাতে দেয়নি। এটা খুবই ন্যক্কারজনক। আমরা সবাই এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিনের আপিল শুনানি শুরু হয়। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ সংক্রান্ত শুনানি শুরু হয়। শুনানির শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানান, খালেদা জিয়ার আরো কিছু স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা বাকি আছে। এ জন্য দুই সপ্তাহ সময় প্রয়োজন। এরপর আদালত এক সপ্তাহ সময় দিয়ে ১২ ডিসেম্বর নতুন দিন নির্ধারণ করেন।

মাহবুবে আলম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মেডিকেল (বিএসএমএমইউ) জানিয়েছে, যেহেতু তার (খালেদা জিয়া) স্বাস্থ্যের নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে, এগুলো শেষ করে রিপোর্ট দিতে সপ্তাহখানেক সময় লাগবে। আদালত যখন আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করলেন, তখনই বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা চরম হট্টগোল শুরু করে। তারা আজ যে বিশৃঙ্খলা করেছে, এটা অভাবনীয়। আমাদের এই বয়সে আদালতে এমন বিশৃঙ্খলা কোনোদিন দেখিনি।’

জানা যায়, এর কিছুদিন আগেই গত ২৬ নভেম্বর বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে হাইকোর্টের বিক্ষোভ করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে হাইকোর্টের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভকারী একটি দল। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক রাখতে পুলিশ তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিতে চায়। কিন্তু উল্টো তারাই পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পরবর্তীতে বিএনপির উশৃঙ্খল নেতা-কর্মীরা রাস্তায় সরকারি ও সাধারণ মানুষের গাড়ি ভাঙচুর করেন। 

দেশের হাইকোর্ট এলাকায় এমন নাশকতা কখনোই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছিলেন অনেকেই। অনেকে বিএনপির এমন কর্মকাণ্ডে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন। এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েও আজ আবারো সেই একই কাজ করে বসলো এই দলটি।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর