সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৮ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

সর্বশেষ:
শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসে বাংলাদেশের বলিষ্ঠ সাফল্য অর্জন: হু আবুধাবিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর বেড়াতে গিয়ে লাশ হলেন ইমনুর হাওরাঞ্চলে যন্ত্রনির্ভর ধানচাষের লক্ষ্য সরকারের কমবে উৎপাদন ব্যয় দলের ভাবমূর্তি উদ্ধারে পরগাছা দূর করা হবে: কাদের
২০

বালু ডাম্পিং করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত বিশ্বম্ভরপুরে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 


বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের আদাং, পুরান মথুরকান্দি, পশ্চিম ডলুরা, কোচগাঁও, রতারগাঁও এলাকায় হাওররক্ষা বেড়িবাঁধের উপর বালু-পাথর ডাম্পিং করে রাখায় বাঁধ হুমকিতে পড়েছে।

এলাকাবাসী’র চলাচলেও ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে বাঁধের গোড়া থেকে এই বালু তুলে উপরে ডাম্পিং করা হয়েছে। এই কারণে আগামী মৌসুমে আগাম বন্যায় এই বাঁধ হুমকিতে থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। 

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, সলুকাবাদ ইউনিয়নের ফসলি জমি, একাধিক গ্রাম ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পাহাড়ি ঢল থেকে বাঁচাতে আদাং বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে দেয় সুনামগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ড। আদাং গ্রামের পাশে চলতি নদীর পাড়ে বেড়িবাঁধ দেয়ায় পাহাড়ি ঢল থেকে পুরান মথুরকান্দি, কোচগাঁও, রতারগাঁও, রতারগাঁও স্কুল ও মাদ্রাসাসহ বাড়ি-ঘর ও ফসলি জমি রক্ষা পেয়েছে। 

এলাকাবাসী জানান, দেশ স্বাধীনের পর একাধিকবার আদাং এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ হলেও পাহাড়ি ঢলের প্রবল বেগে তা ভেঙে যেতো। পাহাড়ি ঢল আদাং গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হতো। সর্বশেষ ২০০৪ সালের দিকে সুনামগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মাণ করে দেয় আদাং এলাকায় চলতি নদীরপাড়ে এই বেড়িবাঁধ। 

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আদাং বাঁধটি মূলত জনবসতি রক্ষার জন্য করা হয়ে থাকে। এখানে বাঁধের গোড়া থেকে কেউ বালু উত্তোলন করেছে বলে আমার জানা নেই। আমরা একজন প্রকৌশলী পাঠিয়ে সরেজমিনে যাচাই করে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর