শুক্রবার   ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৮ ১৪২৬   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
খালেদা জিয়া রাজি হলে উন্নত চিকিৎসা: অ্যাটর্নি জেনারেল মিয়ানমারের বক্তব্যকে ‘ফাঁদ’ বলল গাম্বিয়া সরকারের নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজন শেখ হাসিনা: পরিকল্পনা মন্ত্রী বড়লেখায় কিশোরী সমাবেশ অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফর বাতিল
১৬

বাংলাদেশের ক্রিকেটে সোনালি উৎসব হয়েছিল যেবার

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০১৯  

নয় বছর আগে ফেব্রুয়ারির সে সন্ধ্যায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম পরিণত হয়েছিল উৎসবের মঞ্চে। খেলোয়াড়-দর্শকেরা ভেসে যাচ্ছিল আনন্দস্রোতে। উৎসবের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দল দিয়েছিল ল্যাপ অব অনার। সে এক রঙিন মুহূর্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটে, যেটি রং হারাবে না কখনো।

এসএ গেমসে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ২০১০ সালে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত সেই গেমস বাংলাদেশ দল স্মরণীয় করে রেখেছে সোনা জিতে। ২০১০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ফাইনালে বাংলাদেশ সোনা জিতেছিল স্নায়ুক্ষয়ী এক ম্যাচ জিতে।

বাংলাদেশের ৭ উইকেটে করা ১৫৭ রানের জবাবে জেতার জন্য শেষ ২ ওভারে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-২১ দলের প্রয়োজন ছিল ২০ রান, হাতে ছিল ২ উইকেট। শুভাশিস রায়ের ১৯তম ওভারে এল ৬ রান, পড়ল ১ উইকেট। লেগ স্পিনার সাব্বির রহমানের করা শেষ ওভারের প্রথম চার বলে ৭ রান নিলেও পঞ্চম বলে ওয়াইডিশ লং অনে ক্যাচ তুলে দিলেন শেষ ব্যাটসম্যান নাভিন কাভিকারা। লং-অন থেকে দৌড়ে গিয়ে নাসির ক্যাচটা নিলেন দুর্দান্ত ডাইভে, উৎসবে ভেসে যেতে ওই ক্যাচটাই যথেষ্ট ছিল। তার ওপর এই ক্যাচেই এসেছে সোনায় মোড়ানো জয়! উৎসব বাঁধভাঙা হবেই তো! ম্যাচের ১ বল বাকি থাকতেই বিজয়োল্লাসে ফেটে পড়ল গোটা স্টেডিয়াম।

এসএ গেমসে সোনাজয়ী সে দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন স্মৃতির পাতা উল্টে দেখলেন ৯ বছর আগের উৎসবমুখর সোনালি সন্ধ্যাটা, ‘ফাইনালে অনেক দর্শক হয়েছিল, ম্যাচটা খুব শ্বাসরুদ্ধকর ছিল। আমাদের এ ধরনের প্রতিযোগিতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা ছিল না। সেবারই প্রথম গেমস সম্পর্কে ধারণা পেলাম। সবাই খুব উপভোগ করেছিলাম। দল হিসেবে ভালোও করেছিলাম। সবার যে অবদান রাখা দরকার ছিল সেটা রেখেছিল।’

এসএ গেমসে প্রথমবারের মতো যেবার ক্রিকেট যোগ হয়েছে, সেটিতে বাংলাদেশ জিতেছে। এশিয়ান গেমসেও তা-ই। গেমসে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সোনাভাগ্য মন্দ নয়! তবে কি এবারও? এসএ গেমসে প্রথম সোনাজয়ী অধিনায়ক মিঠুন আশাবাদী, এবারও বাংলাদেশ হাসবে সাফল্যের হাসিতে, ‘যে দল যাচ্ছে, অনেক ভালো খেলছে। ইমার্জিং দল শিরোপা জিততে পারেনি, তবে সবাই খুব ভালো ছন্দে ছিল ভালো খেলেছে। শক্তিশালী দল নিয়ে যেহেতু যাচ্ছে আশা করি ভালো করবে। বয়সে তরুণ হলেও এ দলের বেশির ভাগই অভিজ্ঞ। অনেক দিন ধরে তারা খেলছে। সুবিধা এটাই তরুণ কিন্তু অভিজ্ঞ।’

২০১০ সালে যেবার বাংলাদেশ এসএ গেমস সোনা জিতেছিল, সেবার জাতীয় দল নিউজিল্যান্ড সফরে ছিল। নিউজিল্যান্ডে যখন সাকিব-তামিমরা ব্যর্থতায় হাবুডুবু খাচ্ছিলেন, তখন এসএ গেমসে সোনা জিতে দেশের ক্রিকেটে সুখবর এনে দিয়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দল। এবারও প্রেক্ষাপট অনেকটা এক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক দিন সুখবর নেই বাংলাদেশের। এসএ গেমস দিয়ে কি ঘুচবে এ সাফল্যখরা?

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর