• সোমবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১২ ১৪২৭

  • || ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানার মাল বিক্রিতে উচ্চ আদালতের রুল

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৫ জানুয়ারি ২০২১  

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ‘ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড’ (এনজিএফএফএল) এর ১ লট স্ক্র্যাপ মালামাল বিক্রির কাজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানকে বিক্রির আদেশ না দিতে রুল জারি করেছেন উচ্চ আদালত। সম্প্রতি আদালত সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)সহ তিনজনকে কারখানার মালামাল বিক্রির আদেশ না দিতে নির্দেশ এবং ১৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে রুলনিশি জারি করেন আদালত।

সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মেসার্স আতাউল্লাহ শতকোটি টাকার দরপত্র পাওয়ার পর শর্তভঙ্গ করার অভিযোগ করে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান রিমি নির্মাণ সংস্থা নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা অংশীদার মো. জিল্লুর রহমান। তার রিটের প্রেক্ষিতে আদালত ওই আদেশ ও রুল জারি করেন বলে জানিয়েছেন, বাদি পক্ষের আইনজীবী এম শাখায়াত হোসেন।

গত শনিবার আদালতের আদেশ কপি সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মফিজুর রহমান গ্রহণ করেছেন বলেও তিনি জানান।

রিটের প্রেক্ষিতে আদালতের বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ৩০ ডিসেম্বর আদেশ প্রদান করেন। এতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিসিআইসির চেয়ারম্যান ও শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে মেসার্স আতাউল্লাহর পক্ষে বিক্রির আদেশ না দিতে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ১৫ দিনের মধ্যে জবাব না দিলে আদালত তা নিষ্পত্তি করবেন বলে রুলনিশি জারি করেন। এ অবস্থায় শতকোটি টাকার মালামাল বিক্রিতে টানাপোড়েনে পড়েছে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে, শর্ত ভঙ্গ করার পরও মেসার্স আতাউল্লাহকে সময় বর্ধিত করে নিরাপত্তা জামানত প্রদানের সুযোগ দিয়ে নোয়া প্রদান করায় ক্ষুব্ধ অন্যান্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের পরিচালকরা অভিযোগ করেন, শর্ত ভঙ্গের পরও সার কারখানার কর্মকর্তাদের যোগসাজশে আতাউল্লাহকে কাজ দেয়া হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, ১৮ নভেম্বরের পর নিরাপত্তা জামানত জমা দেয়ায় সরকারের পিপিআর শর্ত ভঙ্গ করা হয়েছে, যা আইনের পরিপন্থী।

এ অভিযোগ প্রসঙ্গে সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মফিজুর রহমান জানান, সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়া হয়েছে। এতে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়নি। শর্ত না মানা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আতাউল্লাহ সাকের সময় মত নিরাপত্তা জামানত জমা না দিতে পারায় সময় নেন। কর্তৃপক্ষ তাকে সময় দিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি জামানত জমা দিলে তাকে কাজও সমঝে দেয়া হয়। উচ্চ আদালতের আদেশের অনুলিপি পেয়েছেন বলে এমডি জানান।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার