মঙ্গলবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ২ ১৪২৬   ১৭ মুহররম ১৪৪১

সর্বশেষ:
মেট্রোরেলের জন্য পুলিশের আলাদা ইউনিট গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সিলেটে ঝাড়ু হাতে ৩ ব্রিটিশ এমপি হাওরাঞ্চলে বর্গা যাচ্ছে না জমি আমি অনুতপ্ত, ক্ষমাপ্রার্থী: রাব্বানী টি-টোয়েন্টি দলে বড় রদবদল প্রবাসীদের এনআইডি পেতে সহায়তা করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ন্যায্যমূল্যে খোলা বাজারে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি শুরু সোমবার ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ফেরাতে চান নতুন নেতারা
৯৪

ফেঞ্চুগঞ্জে পাওয়া যাচ্ছে ‘দই মাছ’

সিলেট (ফেঞ্চুগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০১৯  

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা এলাকার হাকালুকি হাওর। সৌন্দর্যের পাশাপাশি অপার প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ হাওর। এশিয়ার বৃহত্তম এই হাওরের আয়তন ১৮.১১৫ হেক্টর। তার মধ্যে শুধু বিলই আছে ৪.৪০০ হেক্টর। ছোট বড় প্রায় শত বিলের এই হাওরে রয়েছে নানা প্রজাতির প্রচুর মাছ। মিঠাপানির এ হাওরের মাছ দেশ বিদেশে যায়। 

মাছের জন্য উৎকৃষ্ট প্রজনন ক্ষেত্র এই হাওরে প্রায় অবাধে ধরা পড়ছে নানা জাতের মাছের পোনা। স্থানীয় মৎসজীবিরা কাপড় জাল নামক এক প্রকার জাল দিয়ে রামাইখান্দি, উলুখাড়া, এওলা বিল ও দুফা বিলে মাছের পোনা ধরছেন অবাধেই। এতে করে ধ্বংস হচ্ছে মাছের বংশ। 

সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয় জেলেরা কয়েকটি নৌকা দিয়ে হাওরের বিশাল এলাকাজুড়ে কাপড় জাল ফেলেছেন। আরো প্রায় ৮জন লোক সেই জাল টেনে তীরে ভিড়াচ্ছেন। জালে বড় মাছের পাশাপাশি প্রচুর পোনা মাছ দেখা যায়। এগুলো এতটাই ছোট যে বাটিতে জড়ো করলে সাদা দইয়ের মত লাগে! দেখে বুঝার উপায় নাই কোনটা কি জাতের পোনা! 

স্থানীয় প্রবীন ব্যক্তি আহমেদ উল্লাহ বলেন, দেশে মাছ থাকবে কি করে এরা দই পর্যন্ত মেরে শেষ করে ফেলে। নিজের নাম বলতে অসম্মতি জানিয়ে এক জেলে বলেন, এসব দই (পোনা) মাছের চাহিদা বেশি। পয়সাওয়ালা লোকজন শখ করে কিনেন। দামও ভাল পাওয়া যায়। 

তিনি এসব দই মারা ঠিক নয় স্বীকার করে বলেন, আমরা ৮-১০ জনের একটি দল। দল আমার মতে তো চলে না। 

এ ব্যাপারে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জসিম উদ্দিন বলেন, পোনা মাছ ধরা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর