• সোমবার   ১৩ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

  • || ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
সিলেটের ডেকোরেটার্স মালিকদের প্রণোদনা দাবি সিলেটে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন! ধর্মপাশায় করোনা টেস্টের বুথ উদ্বোধন মাধবপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা কমলগঞ্জ ফার্মাসিস্টের বদলী প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন তৃতীয় দফায় করোনা পরীক্ষা করালেন মাশরাফী
৩৯

ফাগুন হাওয়ায় ভাসছে প্রাথমিক শিক্ষা

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৮ জানুয়ারি ২০২০  

বছর শুরু হতে না হতেই প্রাথমিক শিক্ষায় লেগেছে ফাগুন হাওয়া। শিক্ষক নিয়োগ, প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের স্থায়ীকরণসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও শিক্ষা সহায়ক কর্মকাণ্ড এগিয়ে চলছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের চলতি মাসেই পদায়ন করে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ক্লাস নেয়ার দায়িত্ব দেয়া হবে। 

আকরাম আল হোসেন বলেন, জানুয়ারি মাসের মধ্যে নিয়োগপ্রাপ্তদের পদায়ন করা হবে। ফেব্রুয়ারি থেকে তারা ক্লাস শুরু করবে। সব কিছু ঠিক থাকলে, এ মাসের মাঝামাঝি তাদের যোগদান কার্যক্রম শুরু হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব সহকারী শিক্ষকরা ১৩ গ্রেডে বেতন-ভাতা সুবিধা পাবে। আগে সহকারী শিক্ষকদের ১৫ গ্রেডে যোগদান করতে হত। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হলে তারা ১৪ গ্রেডে বেতন-ভাতা সুবিধা দেয়া হত। 

গত ডিসেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সারা দেশে শূন্য আসনের ভিত্তিতে মোট ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে চূড়ান্ত ফলাফলে নির্বাচন করা হয়। এছাড়াও নতুন করে আরো ২৬ হাজার ৩০০ জনকে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পাশাপাশি সুখবর পেতে যাচ্ছেন প্রধান শিক্ষকরাও। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানিয়েছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের এখন থেকে দশম গ্রেড দেয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। দেশের শিক্ষার ব্যাবস্থার সার্বিক উন্নতির স্বার্থে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা এরইমধ্যে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড বাড়িয়েছি। 
 
প্রসঙ্গত, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের ১১ গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১২ গ্রেডে বেতন-ভাতা দেয়া হচ্ছে। 

এদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে যারা চলতি দায়িত্বে আছেন তাদের পদ স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব স্থায়ী করা হলে নতুন করে এ পদে আর নিয়োগ দেয়া হবে না।

চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষকদের মূল বেতনের অতিরিক্ত আরো ১ হাজার ৫০০ টাকা দেয়া হয়। তবে এজন্য তারা কোনো ভাতা পান না। প্রধান শিক্ষক পদে তাদের চাকরি স্থায়ী হলে তারা পুরো বেতন ভাতা পাবে বলে জানা গেছে। 

সচিব আকরাম আল হাসান বলেন, বিভিন্ন বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদেরকে প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব দেয়া হয়। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর পুনরায় সহকারী শিক্ষক পদে থেকে ফিরিয়ে দিলে অনেক বিদ্যালয়ে জটিল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। যেটি শিক্ষা সহায়ক নয়। এজন্য চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
 
এ ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ আরো উন্নতি করতে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষকদের যে সমস্যাগুলো আছে সেগুলো মেটানো হবে। শিক্ষার্থীরা যেন শিক্ষা সহায়ক একটি পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে সেটিও নিশ্চিত করবে সরকার। 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর