বৃহস্পতিবার   ১২ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৭ ১৪২৬   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোয়াইনঘাট-জৈন্তাপুরে ফসলের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে দলে এখনো ‘মোশতাকদের’ পদচারণ রয়েছে: এম এ মান্নান সিলেটে বাল্যবিবাহ শূন্যের কোটায় নামাতে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জে কোটি কোটি টাকার কাজে অনিয়ম পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত পুলিশ সদস্য  ওলি-গলিতে গড়ে উঠেছে ভাঙ্গারী ব্যবসা, বাড়ছে চুরি সাতছড়ি উদ্যানে ফটোগ্রাফিক সোসাইটির বৃক্ষরোপন অভিযান
১৬৭

প্রেমিকাকে নিয়ে হোটেলে রাত কাটাতে গিয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০১৯  

বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে পরকীয়া প্রেমিকার (২৮) সঙ্গে রাত কাটাতে গিয়ে সোহরাব হোসেন সিকদার (৪৫) নামে বিএনপির এক নেতার মৃত্যু হয়েছে।

এ সময় তার পকেট থেকে যৌন উত্তেজক ওষুধ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও চিকিৎসকদের ধারণা যৌন উত্তেজক বড়ি সেবন করায় অতিমাত্রায় রক্তচাপের কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন।

বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড আবাসিক হোটেল গ্রান্ড প্লাজায় বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন সোহরাব হোসেন সিকদার। রাতেই তার প্রেমিকা ও হোটেলের লোকজন তাকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সোহরাব সিকদার বরিশাল সদরের টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে সোহরাব হোসেন সিকদার হোটেলে ওঠেন। হোটেলের ম্যানেজারের কাছে কক্ষ নেওয়ার সময় ওই নারীকে স্ত্রী বলে পরিচয় দেন। হোটেলের রেজিস্ট্রারে তাই লেখা রয়েছে। ১০১ নম্বর কক্ষে তারা অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে সোহরাব হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়েন।

শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বরত কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হুদা সাংবাদিকদের জানান, জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহরাব হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর তার সঙ্গে থাকা নারীর কাছে পরিচয় জানতে চাইলে তিনি মৃতের শ্যালকের বান্ধবী বলে পরিচয় দেয়।

প্রায় আড়াই বছর আগে মোবাইল ফোনে সোহরাবের সঙ্গে তার সম্পর্ক হয় এবং পরবর্তীতে বিয়ে করেন বলে জানান ওই নারী। তবে তাৎক্ষণিক বিয়ের কোনো প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি।

কোতোয়ালি থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মৃত ব্যক্তি পরিহিত পোশাকের পকেটে যৌন উত্তেজক ওষুধ পাওয়া গেছে। যৌন উত্তেজক বড়ি সেবন করায় অতিমাত্রায় উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকরা ধারণা করছেন।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর