শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৮ ১৪২৬   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

সর্বশেষ:
আজ ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন আদালতে বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ইতিবাচক : জয়শঙ্কর প্রত্যাবাসনের বিপক্ষে প্রচারণা চালালে ব্যবস্থা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রস্তুত ঘুমধুম পয়েন্ট
৮১

প্রস্তুতির অভাবে ডেঙ্গুর প্রভাব বেশি হয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ আগস্ট ২০১৯  

ডেঙ্গু মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির অভাব ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু রোধে পূর্বপরিকল্পনারও অভাব ছিল। আর এ জন্য ডেঙ্গুর প্রভাব বেশি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তবে শুধু মেয়রদের ওপর ভরসা না রেখে জনগণকে সচেতন হওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আজ রোববার দুপুরে মৌলভীবাজারে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী। আজ মশকনিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয় মৌলভীবাজার পৌরসভার হলরুমে। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশমন্ত্রী।


মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের দেশে ডেঙ্গুর বেশি প্রভাব হয়েছে। আমরা পূর্বপ্রস্তুতি, পূর্বপরিকল্পনা গ্রহণ করি নাই।’

পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন, ‘ডেঙ্গু সারা বিশ্বেই হয়েছে। ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া এমন কোনো দেশ নাই। প্রায় দেশেই হয়েছে। ফিলিপাইনে হয়েছে। তবে তারা সচেতনতামূলক ব্যবস্থা আগে থেকে শুরু করেছে। যে কারণে সেখানে এত আতঙ্ক হয়নি। এত মানুষ মারা যায়নি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সামান্য একটা মশার কামড়ে এমন অবস্থা হয়। হার্ট ব্লক হয়, ফুসফুস ব্লক হয়। কিডনি এফেক্ট হয়। ডাক্তারদের করণীয় কিছু থাকে না। ডেঙ্গু অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে নিতে পারব যদি আমরা সচেতন হই। শুধু মেয়রের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের বাসাবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আপনারা নিজেরা সচেতন আছেন, আরও সচেতন হবেন। মনে রাখবেন আপনার শত্রু আপনার নিকটতম।’


মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এ বছর ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। আগামী বছর মার্চের আগে থেকেই যদি মশা নিধন শুরু করি, তাহলে এত ভয়ানক হবে না। ঢাকায় ডেঙ্গু বেশি। ঢাকার মেয়র দুজনই সচেতন হয়েছেন। মনোযোগী হয়েছেন। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি থেকেই মশা নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। আশা করি এত ভয়ানক হবে না।’

মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সাংসদ নেছার আহমদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরীন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, সিভিল সার্জন মো. শাহজাহান কবির চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক মো. আবদুল খালিক প্রমুখ।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি পরিবেশকে আক্রান্ত করি, পরিবেশ বিরূপ আচরণ করবে। টিলা কাটা নিষেধ তবুও টিলা কাটা হচ্ছে। পলিথিন শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধ, তা ব্যবহার হচ্ছে। এতে মাটি নষ্ট হচ্ছে। ড্রেন ভরাট হচ্ছ। সমুদ্র ভরাট হচ্ছে। পরিবেশ পলিথিনমুক্ত রাখতে চাই। পলিথিনমুক্ত রাখুন।’

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর