বুধবার   ১১ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৬ ১৪২৬   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোয়াইনঘাট-জৈন্তাপুরে ফসলের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে দলে এখনো ‘মোশতাকদের’ পদচারণ রয়েছে: এম এ মান্নান সিলেটে বাল্যবিবাহ শূন্যের কোটায় নামাতে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জে কোটি কোটি টাকার কাজে অনিয়ম পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত পুলিশ সদস্য  ওলি-গলিতে গড়ে উঠেছে ভাঙ্গারী ব্যবসা, বাড়ছে চুরি সাতছড়ি উদ্যানে ফটোগ্রাফিক সোসাইটির বৃক্ষরোপন অভিযান
২৩

প্রতি মাসেই হবে প্রাণঘাতী সুনামি!

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ নভেম্বর ২০১৯  

 


জলবায়ু পরিবর্তন আটকানোর জন্য সব নিয়ম মানা হলেও সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি আটকানো যাবে না বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। সম্প্রতি এ বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেসে। ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির একট দল গবেষক দীর্ঘ সময় ধরে এই গবেষণা করেছেন।

পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু পরিবর্তন আটকানোর জন্য ২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি করা হয়। যে কয়েকটি দেশ ‘সাক্ষর’ করেছে তারা যদি ২০৩০ সালের মধ্যে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে, তাহলেও প্রথম ১৫ বছর পরিবেশদূষণকারী নির্গমন কমানো যাবে না। তার পরিমাণ এতটাই হবে যে তার জেরে ২৩০০ সালের মধ্যে সমুদ্রের জলস্তর প্রায় ২০ সেন্টিমিটার বেড়ে যাবে।

এই পরিসংখ্যান দেখেই বোঝা যায়, ভবিষ্যতে কতটা ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে। সারা পৃথিবী স্থলভাগ চলে যাবে জলের তলায়, প্রতিমাসে কয়েকবার হবে সুনামি। এর ওপর গবেষকরা এই কম্পিউটার মডেলে ধরে নিয়েছেন যে ২০৩০ সালের মধ্যে সব দেশের সরকার তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাস্তব কিন্তু একেবারেই ভিন্ন। মাত্র কয়েকটি দেশ প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে নির্ধারিত লক্ষ্য মেনে কাজ করছে। পরিস্থিতি এ রকমই থাকলে সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি ঠিক কোথায় গিয়ে পৌঁছবে, সেটি আন্দাজ করেই শিউরে উঠছে গবেষকরা।

ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির ওই গবেষকদলের এক সদস্য পিটার ক্লার্ক বললেন, ভবিষ্যতে বেশ অনেকটা সময় সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি বড়সড় সমস্যা হিসেবে আমাদের ভোগাবে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর