• রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৭

  • || ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
বীজ ও সার পেলেন ছাতকের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা দক্ষিণ সুনামগঞ্জে বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুর বাজারের প্রাচীনতম পুকুরের পরিচ্ছন্নতা শুরু করোনা : ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সুস্থ ২৬ জন রায়হানের মৃত্যু অতিরিক্ত আঘাতেই

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ঈগল, যার থাবায় হাড় চূর্ণ হয়

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২০  

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ঈগলের প্রজাতির নাম হার্পি। এরা সবচেয়ে শক্তিশালী শিকারি পাখিগুলোর একটি। এরা টারশিয়ারি শিকারি, অর্থাৎ এদেরকে শিকার করার মতো আর কোনো প্রাণী নেই। 

এদের থাবা ঈগলদের মধ্যে সর্ববৃহৎ। যা প্রায় গ্রিজলি ভালুকের থাবার সমান। এরা থাবা দিয়ে কয়েক হাজার পাউন্ড বল প্রয়োগ করতে সক্ষম। 

প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে যার পরিমাণ ৫৩০ পাউন্ড। এরা থাবা দিয়ে শিকারির হাড় চূর্ণ করে ফেলে। ফলে শিকারের তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঘটে। 

এই অসাধারণ শিকারি পাখি, বানর, পসাম, শ্লথ, টিকটিকি, হাস-মুরগি এবং সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী শিকার করে। পাখিটি সাত কেজি পর্যন্ত প্রাণীকে অনায়াসে তুলে নিতে সক্ষম। একটি পূর্ণবয়স্ক ঈগলের ওজন প্রায় ৩০ কেজি।  

এরা উচ্চতায় হতে পারে সাড়ে তিন ফুট এবং দুই পাখার সম্মিলিত দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ছয় ফুট। লম্বা লেজ থাকায় ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়েও এরা অনায়াসে উড়ে বেড়াতে সক্ষম। 

এরা ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতি অর্জন করে। তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তি এবং অসাধারণ শ্রবণ শক্তি দ্বারা ঈগলটি শিকারের অবস্থান শনাক্ত করে। 

২০০ গজ দূর থেকে এরা এক ইঞ্চি আকারের শিকার দেখতে পায়। এরা সাধারণত বড় আকারের প্রাণী শিকার করে। ফলে প্রতিদিন শিকার ধরার প্রয়োজন হয় না। 

এরা এক সপ্তাহ পর্যন্ত না খেয়ে অনায়াসে কাটিয়ে দিতে সক্ষম। পাখিটি শিকার ধরার জন্য ২৩ ঘণ্টা পর্যন্ত এক জায়গায় স্থির থাকতে সক্ষম। 

সাধারণত এরা এক পত্নিক হয় এবং সারাজীবনে একটি মাত্র সঙ্গী থাকে। হার্পি ঈগল সন্তানদের বড় করে তুলতে প্রচুর সময় এবং শক্তি ব্যয় করে। 

বাবা-মা ৫৬ দিন ধরে পালাক্রমে তা দেয়ার দায়িত্ব পালন করে। সন্তানদের সুরক্ষায় এরা বাসায় নিয়মিত সতেজ এবং পরিষ্কার ডালপালা নিয়ে আসে। 

অকুতোভয় পাখিটি বর্তমানে বিপন্নপ্রায়। বন উজার এবং বাসস্থান ধ্বংস এদের জন্য করুন পরিণতি বয়ে আনছে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার