• শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ৩০ ১৪২৭

  • || ২৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
২৩ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে শ্রীলঙ্কা যাবে এইচপি ও জাতীয় দল যেকোনো সোর্স থেকে করোনার ভ্যাকসিন সংগ্রহের তাগিদ অর্থমন্ত্রীর অক্টোবরে হচ্ছে না বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ সিলেটের সীমান্ত নদ-নদীর পানিও বাড়ছে শ্রীমঙ্গলে এতিম তিন শিশুকে খাদ্য সহায়তা দিলেন এসপি সুনামগঞ্জে হঠাৎ এখানে-ওখানে জ্বলে ওঠে আগুন স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেপ্টেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা
১৯

পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টি, জৈন্তাপুরের স্বপ্ন বিলীন মৎস্য চাষিদের

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১ জুলাই ২০২০  

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যায় জৈন্তাপুর উপজেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ পানি-বন্দি হয়ে পড়েছেন। একই সাথে বন্যার পানিতে ভেসে গেছে হাজারও মৎস্য চাষির স্বপ্ন।

গত কয়েক দিন সারি ও করিচ নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার ফলে উপজেলার ৫ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়। এর মধ্যে ফতেপুর ইউনিয়নের হেমু ভাটপাড়া, মাঝপাড়া, দত্তপাড়া, হাউদপাড়া, জুহাইরটুল, বালিপাড়া, পাখিটিকি, জৈন্তাপুর ইউনিয়নের বাহুরভাগ উত্তর, বাহুরভাগ দক্ষিণ, নিজপাট ইউনিয়নের ডিবির হাওর, কেন্দ্রী হাওর সহ চারিকাটা ও দরবস্ত ইউনিয়নের বেশ কিছু সংখ্যক দিঘী পানির নিচে তলিয়ে যায়। পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে বাড়িঘর। ভেসে যায় মৎস্য খামারের পাশাপাশি অসংখ্য পুকুর।

উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের মাজপাড়া গ্রামের ফারুক আহমদ বলেন, আমি একজন মৎস্য-চাষি। তিন দিনের ভারি বর্ষণে আমার ৪২ বিঘা জমির মাছ পানির সাথে ভেসে যায়। আমার মৎস্য-চাষে দৈনিক ১৫ জন মানুষ কাজ করে। আমি একটু সচেতন থাকায় আমার বেশি ক্ষতি হয়নি। আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গ্রাম ও হাওরসহ মোট ৩ হাজার ২৬৪ টি পুকুর ও দিঘী রয়েছে। ৫১৪.১৫ হেক্টর আয়তনের এসব পুকুরে ১ হাজার ২শ’ চাষি মৎস্য চাষ করেন। প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার ৫শ’ মেট্রিক টন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপন্ন হয়।

জৈন্তাপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মাসুদ রানা বলেন, বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হবে।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন বলেন, মৎস্য চাষিরা আমাদের সম্পদ। উনাদের বিপদে সরকারও পাশে থাকতে চায়। আমাদের কাছে এখনও কিছু আসেনি। যদি আসে অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হবে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
সিলেট বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর