• বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৯ ১৪২৭

  • || ২০ রজব ১৪৪২

সর্বশেষ:
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় আরো ৫ জনের মৃত্যু দুদকে নতুন চেয়ারম্যান ২২শ রোহিঙ্গা নিয়ে ভাসানচরের পথে ৬ জাহাজ সুরমা নদী পাড়াপাড়ে অতিরিক্ত ভাড়া, ক্ষোভ যাত্রীদের ভারতকে এক নিলেন ইনজামাম সিলেটে করোনা: কমছে মৃত্যুর সংখ্যা জকিগঞ্জ থানার নতুন ওসি কাসেম খাঁন

পশ্চিমবঙ্গের ১১০ বিধানসভা আসনে জিততে মরিয়া বিজেপি

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নবান্নের নীলবাড়ি দখলে ২৯৪ আসনের মধ্যে ১১০টি আসনে কঠিন লড়াই হবে বলে মনে করছেন রাজ্য বিজেপির নীতি নির্ধারকরা। এই আসনগুলোতে টাফ ফাইট দিতে পারে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল এবং বাম-কংগ্রেস জোট। এগুলোতে জয় ছিনিয়ে না আনতে পারলে বাংলার মসনদ দখলের স্বপ্ন অধরা থেকে যেতে পারে গেরুয়া শিবিরের। তাই এই আসনগুলো জয়ের জন্য নয়া রণকৌশল তৈরি করে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে গেরুয়া শিবির।

অমিত শাহ-র নির্দেশে বঙ্গ বিজেপি নেতাদের পাশে রেখে কেন্দ্রীয় ভোট কুশীলবদের একটা বড় অংশ এই মুহুর্তে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন রাজ্যে। প্রতিদিনই বাড়ছে এমন নেতাদের সংখ্যা। ভোট পরিচালনায় রাজ্যকে পাঁচটি জোনে ভাগ করে পাঁচ জন সর্বভারতীয় নেতাকে মাঠে নামানো হয়েছে। তারা হচ্ছেন ছত্তিশগড়ের পর্যবেক্ষক দুষ্যন্ত গৌতম, ত্রিপুরার পর্যবেক্ষক কে বিনোদ সোনকর, অন্ধ্রপ্রদেশের পর্যবেক্ষক থাকা সুনীল দেওধর, নবদ্বীপ জোনের বিনোদ তাহড়ে এবং উত্তরবঙ্গ জোনের হরিশ দ্বিবেদী।

এই পঞ্চপাণ্ডব ছাড়াও বঙ্গ বিজয়ের যুদ্ধে বিজেপি সপ্তরথীকে মঞ্চে নামিয়েছে। তারা হচ্ছেন কেন্দ্রীয় আদিবাসী বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী অর্জুন মুণ্ডা, প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের প্রতিমন্ত্রী সঞ্জিব বালিয়া, জলশক্তিমন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখওয়াত, জাহাজ ও বন্দর মন্ত্রী মুকেশ মালব্য, সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল, উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌয্য এবং মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র।

প্রায় প্রতিদিনই তারা বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। নিচু তলায় বিজেপির জমি শক্ত করার জন্য এই সাত নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের জন্য ২৯৪ জন বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসে পড়েছেন রাজ্যে। তারা প্রতিনিয়ত বুথ থেকে বিধানসভা পর্যন্ত প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয়ে নজর রাখছেন।

২৯৪ আসন থেকে কঠিন ১১০টি আসন বেছে নেওয়া হয়েছে। এই আসনগুলো হতে পারে একুশের ভোটযুদ্ধ জয়ের এক্স ফ্যাক্টর। তাই এই বিধানসভাগুলোকে নিয়ে আলাদা করে গেমপ্ল্যান শুরু করেছে গেরুয়া শিবির। এগুলোতে বিশেষভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আরও ২২ সর্বভারতীয় নেতাকে। সূত্রের খবর, ভার্চুয়াল বৈঠকে ওই নেতাদের দায়িত্ব বন্টনের কথা জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বর্তমানে বাংলার জন্য বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত শিব প্রকাশ। আগামী ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

এই আসনগুলোতে জয়ের জন্য বহু ভোটযুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নিশিকান্ত দুবে, বিনোদ শঙ্কর, বিনোদ তাওদে, ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রদীপ সিনহা বাঘেয়াল, বসন্ত পান্ডে, আর কে সিং, মঙ্গল পান্ডে, রমেশ বিধুরি, রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর, নীতিন নবীন, বিনয় সহর্ষবুদ্ধি, আশিস শেহলার, রাধামোহন সিং, মদন লাল শর্মা, সতীশ উপাধ্যায়ের মতো নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই গেরুয়া সেনাপতিরা ফ্রন্টলাইনে থেকে ভোটযুদ্ধে শামিল হবেন। দলীয় আর্দশ বজায় রেখে ভোটযুদ্ধ পরিচালনা থেকে এরা ডোর টু ডোর ক্যাম্পেইনেও অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার