বৃহস্পতিবার   ১২ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৭ ১৪২৬   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোয়াইনঘাট-জৈন্তাপুরে ফসলের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে দলে এখনো ‘মোশতাকদের’ পদচারণ রয়েছে: এম এ মান্নান সিলেটে বাল্যবিবাহ শূন্যের কোটায় নামাতে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জে কোটি কোটি টাকার কাজে অনিয়ম পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত পুলিশ সদস্য  ওলি-গলিতে গড়ে উঠেছে ভাঙ্গারী ব্যবসা, বাড়ছে চুরি সাতছড়ি উদ্যানে ফটোগ্রাফিক সোসাইটির বৃক্ষরোপন অভিযান
৭৩

জেলা আ.লীগের সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী হচ্ছেন মন্ত্রী ইমরান

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০১৯  

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী হচ্ছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ও সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ।

মন্ত্রী বলেন, দল এবং দেলের সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যদি সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেন তবে তিনি মাথা পেতে এ দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। নেত্রীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত।

মন্ত্রী বলেন, আমাকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হলে কোন গ্রুপিং থাকবেনা। গ্রুপ থাকবে একটাই, সেটা হলো শেখ হাসিনা গ্রুপ। সবকিছুর উর্ধ্বে থেকে জেলা আওয়ামী লীগকে এগিয়ে নিতে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করে যাবো।

এদিকে মন্ত্রী ইমরান আহমদ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ায় পাল্টে গেছে পুরো হিসেব-নিকেশ। গ্রুপিং রাজনীতির উর্ধ্বে একজন ক্লিন ইমেজধারী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

তিনি যদি সভাপতি প্রার্থী হন তবে পাল্টে যাবে জেলা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সমিকরন ।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন এ পর্যন্ত সভাপতি পদে যারা প্রার্থী হওয়ার মতপ্রকাশ করেছেন তাদের মধ্যে ইমরান আহমদ অনেকটা এগিয়ে। একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে তৃনমূলে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও প্রিয় একজন কর্মী হলেন ইমরান আহমদ।

দীর্ঘদিন থেকে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিয়েই চলছে। তাছাড়া এডভোকেট লুৎফুর রহমান বয়োজ্যেষ্ঠ হওয়ায় সকল অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন না। তাই একাই সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরীকে হ্যান্ডেল করতে হয়েছে রাজনৈতিক কূর্মসূচী ।

তাই মন্ত্রী ইমরান আহমদ সভাপতি প্রার্থী হলে দীর্ঘদিন পর একজন যোগ্য সভাপতি পাবে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ। এমনটাই ভাবছেন তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতারা।

দীর্ঘ ৮ বছরের বেশী সময় ধরে একই নেতৃত্বে টিকে আছে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। সেই ২০০৫ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হয়েছিল সিলেট আওয়ামী লীগে। এরপর ২০১১ সালে সম্মেলন ছাড়াই গঠিত হয় কমিটি। তিন বছর মেয়াদি সে কমিটি পার করে ৮ বছর।
 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার